
চীনের উত্তরাঞ্চলে একটি কয়লা খনিতে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ৯০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে চীনের শানসি প্রদেশের লিউশেনইউ কয়লা খনিতে। দুর্ঘটনার সময় খনির ভেতরে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা আহত শ্রমিকদের স্ট্রেচারে করে বাইরে নিয়ে আসছেন এবং ঘটনাস্থলের বাইরে সারিবদ্ধভাবে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে। এখন পর্যন্ত ১০০ জনেরও বেশি শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ছয়টি উদ্ধারকারী দল থেকে মোট ৩৪৫ জন উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খনিটি পরিচালনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের আটক করা হয়েছে। বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইড নামের অত্যন্ত বিষাক্ত ও গন্ধহীন গ্যাসের মাত্রা বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম করেছিল, যা এই দুর্ঘটনার একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধানে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কয়লা উৎপাদন ও ব্যবহারকারী দেশ। দেশটির উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে শানসি প্রদেশ দীর্ঘদিন ধরেই কয়লা খনির জন্য পরিচিত। তবে এই খাতটি বহু বছর ধরেই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। ২০০০ সালের পর থেকে খনিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা নিয়মিত ঘটলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিছুটা কঠোর করা হয়েছে।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| দুর্ঘটনার স্থান | লিউশেনইউ কয়লা খনি, শানসি প্রদেশ |
| দুর্ঘটনার সময় | শুক্রবার, সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিট |
| মোট শ্রমিক | ২৪৭ জন |
| নিহত শ্রমিক | অন্তত ৯০ জন |
| হাসপাতালে ভর্তি | ১০০ জনেরও বেশি |
| উদ্ধারকর্মী সংখ্যা | ৩৪৫ জন |
| কারণ (প্রাথমিক ধারণা) | কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের বিপজ্জনক মাত্রা বৃদ্ধি |
এর আগে চীনে একই ধরনের বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের একটি উন্মুক্ত কয়লা খনি ধসে ৫৩ জন শ্রমিক নিহত হন। এছাড়া ২০০৯ সালে হেইলংজিয়াং প্রদেশের একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে একশ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
চীনের অর্থনৈতিক কাঠামোতে কয়লার ভূমিকা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে দেশটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌর ও বায়ু শক্তিসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি করছে।
> লংমার্চ ঘিরে সতর্ক নিরাপত্তা, রাজধানী ছিল শান্ত
> শাহরাস্তিতে ডাকাতির রাতে গৃহবধূ নিহত
> শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
> বাংলাদেশে হামের মৃত্যু থামছে না
> শাহবাগে আন্দোলনহীন, নজরে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী কর্মসূচি
> সংবাদ সম্মেলন ঘিরে উত্তরা মুখোমুখি শিক্ষার্থীদের সমাবেশ
> স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধির প্রবর্তক, বীর মুক্তিযোদ্ধা,রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক
> জন্মদিনে স্মরণ: রশীদ হায়দারের অনন্য উত্তরাধিকার
> সখীপুরে এক অনন্য রেকর্ড: প্রাথমিক বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুলে যমজ তিন ভাইবোনের অভাবনীয় সাফল্য
> আইনি লড়াইয়ে হার মেনে জিন ক্যারলকে ৫৬ লাখ ডলার দিলেন ট্রাম্প
> ইনু মামলার রায় ঘিরে বিচারব্যবস্থার পরীক্ষা
> প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্থ করেছে
> করিয়ারদিয়ায় মাছের ঘের দখলচেষ্টা, অস্ত্রসহ দুইজন জনতার হাতে আটক
> সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা, ঠিকানা ও ফোন নম্বর
> আওয়ামী লীগের ৭৭ বছরের রাজনৈতিক গৌরবগাথা ও সংগ্রাম
> ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা
> ডিএনডি লেকে দুই কিশোরের মৃত্যু
> একের পর এক পোশাক কারখানা বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাই
© কপিরাইট ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মন্তব্য