ব্রেকিং নিউজ :
দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি

অর্থনীতি

চিকিৎসা পুষ্টি বীমা সংকট অবিচার

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৬ই এপ্রিল ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম

চিকিৎসা পুষ্টি বীমা সংকট অবিচার

একটি শিশুর জীবন বদলে দেওয়া চিকিৎসাজনিত ঘটনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই গল্প। লেখকের সন্তান তখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। হঠাৎ একদিন স্কুল থেকে ফোন আসে—শিক্ষক জানায়, শিশুটি সম্ভবত মস্তিষ্কে আঘাত বা স্ট্রোকের মতো একটি গুরুতর জটিলতায় আক্রান্ত হয়েছে। শিশুটির মুখের এক পাশ নেমে যায় এবং সে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছিল না। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর ছিল যে শিক্ষক তাকে কোলে করে নার্সের কক্ষে নিয়ে যান, আর পুরো শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিতভাবে অনুসরণ করে।

পরবর্তীতে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেন যে শিশুটি একটি বিরল জিনগত রোগে আক্রান্ত—যা মাইটোকন্ড্রিয়াল রোগ নামে পরিচিত। এই রোগে শরীরের কোষ পর্যাপ্ত শক্তি উৎপাদন করতে পারে না, ফলে মস্তিষ্কে বিপাকজনিত স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়। চিকিৎসকেরা তাকে পুনরায় এমন বিপদ থেকে রক্ষা করতে নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সমন্বিত চিকিৎসা-ভিত্তিক পুষ্টি গ্রহণের পরামর্শ দেন।

কিন্তু এখানেই শুরু হয় আরেক সংকট। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন থাকা সত্ত্বেও তাদের স্বাস্থ্যবিমা কোম্পানি এই চিকিৎসা-ভিত্তিক পুষ্টির খরচ বহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে পরিবারটি প্রতি মাসে পাঁচশো ডলারেরও বেশি নিজেদের পকেট থেকে খরচ করতে বাধ্য হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি শুধু একটি পরিবারের নয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ নিয়মিতভাবে চিকিৎসা-নির্দেশিত পুষ্টি ব্যবহার করেন। এর মধ্যে রয়েছে বিশেষ ফর্মুলা খাদ্য, কম প্রোটিনযুক্ত খাবার, নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভিটামিন-ভিত্তিক চিকিৎসা।

এই চিকিৎসাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেসব রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য, যেমন জন্মগত বিপাকজনিত রোগ, অগ্ন্যাশয়ের অকার্যকারিতা, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, ক্রোনস রোগ, আলসারেটিভ কোলাইটিস, এবং বিভিন্ন খাদ্য অ্যালার্জি ও শোষণজনিত সমস্যা।

চিকিৎসা-ভিত্তিক পুষ্টি ও বীমা পরিস্থিতি

বিষয়বাস্তব পরিস্থিতি
রোগের ধরনজন্মগত বিপাকজনিত রোগ, হজম ও শোষণজনিত সমস্যা, প্রদাহজনিত অন্ত্ররোগ
প্রয়োজনীয় চিকিৎসাবিশেষ ফর্মুলা খাদ্য, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন ও কম প্রোটিনযুক্ত খাদ্য
বীমা কাভারেজঅসংগঠিত ও অসম, অনেক ক্ষেত্রে অস্বীকৃত
বয়সসীমা সমস্যাঅনেক ক্ষেত্রে ১৮–২২ বছর বয়সে কাভারেজ বন্ধ
আর্থিক চাপমাসে শত শত থেকে হাজার ডলার পর্যন্ত ব্যক্তিগত ব্যয়
নীতিগত স্বীকৃতিবিশেষজ্ঞ সংস্থাগুলোর মতে এটি জীবনব্যাপী চিকিৎসা

আইনগত ও নীতিগত কাঠামোর কারণে এই চিকিৎসাগুলোকে অনেক সময় বাধ্যতামূলক চিকিৎসা নয়, বরং ঐচ্ছিক খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে বীমা কোম্পানিগুলো এগুলো কাভার করতে বাধ্য নয়। ১৯৭২ সালে একটি নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এই পুষ্টি-চিকিৎসাগুলোকে ওষুধের শ্রেণি থেকে আলাদা করা হয়, যাতে শিল্পে উদ্ভাবন বাড়ে এবং রোগীরা দ্রুত পণ্য পেতে পারেন। যদিও উদ্দেশ্য ছিল ইতিবাচক, এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে বীমা কাভারেজে বড় ফাঁক তৈরি হয়েছে।

পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালের একটি আইনগত কাঠামো এই বিভাজন আরও শক্তিশালী করে, যার ফলে চিকিৎসা-ভিত্তিক পুষ্টি সরাসরি ওষুধ হিসেবে গণ্য হয়নি। এর ফলস্বরূপ, অনেক পরিবার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাদ্য গ্রহণ করতে পারলেও তার আর্থিক চাপ বহন করতে পারছে না।

বিভিন্ন চিকিৎসা সংস্থা যেমন জেনেটিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের সংগঠন, শিশু স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জন্মগত রোগ বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ বারবার বলেছে যে এই চিকিৎসাগুলো জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য এবং এগুলোকে ওষুধের মতোই বীমার আওতায় আনা উচিত।

বর্তমানে একটি নতুন আইন প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে, যা বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য কর্মসূচির মাধ্যমে এই চিকিৎসা-ভিত্তিক পুষ্টির কাভারেজ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শে নির্ধারিত এসব পুষ্টি পণ্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং রোগীদের আর্থিক চাপ কমানো হবে।

সবশেষে, এই শিশুটির চিকিৎসা শুরু হওয়ার পর থেকে তার মস্তিষ্কে পুনরায় স্ট্রোকের ঘটনা বন্ধ হয়েছে এবং সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছে। তবে তার পরিবারের অভিজ্ঞতা একটি বড় প্রশ্ন তুলে ধরে—জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা যদি সত্যিই কার্যকর হয়, তাহলে সেটি পাওয়ার অধিকার আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কেন নির্ধারিত হবে?

মন্তব্য