ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ই জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৪২ এএম

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার একটি রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি লার্নিং সেন্টারসহ বেশ কয়েকটি অস্থায়ী স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, যা কিছুটা হলেও স্বস্তির। সোমবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকায় অবস্থিত ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে আগুন লাগার কারণে প্রথমদিকে বিষয়টি বুঝতে সময় লাগে। অস্থায়ীভাবে তৈরি বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিকের ঘর হওয়ায় আগুন দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই লার্নিং সেন্টারটি আগুনে গ্রাস হয় এবং পাশের কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়ায় ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং ক্যাম্পের বাসিন্দারাও আগুন নেভাতে সহায়তা করেন। এক পর্যায়ে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও দাহ্য উপকরণের কারণে পুনরায় আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হয়।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা অগ্নিকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান। তাঁর ভাষায়, আগুন যাতে আশপাশের ঘরগুলোতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য দ্রুত পানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, খোলা আগুন বা রান্নার চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অগ্নিকাণ্ড নতুন নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার আগুনের ঘটনা ঘটেছে, যা ক্যাম্পবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে একটি হাসপাতাল পুড়ে যায়। তার একদিন আগে, ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে দশটির বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিচে সাম্প্রতিক কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো—

তারিখস্থানক্ষয়ক্ষতির ধরন
২০ জানুয়ারিক্যাম্প-১৬, উখিয়ালার্নিং সেন্টারসহ একাধিক স্থাপনা
২৬ ডিসেম্বরক্যাম্প-৪, উখিয়াএকটি হাসপাতাল পুড়ে যায়
২৫ ডিসেম্বরকুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্প১০টির বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি আবারও সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক দল এবং নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

মন্তব্য