ব্রেকিং নিউজ :
ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন ইনু কারাগারে দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

ফুটবল

ইউরোপে গোলবৈচিত্র্যে বার্সেলোনার অনন্য আধিপত্য

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম

ইউরোপে গোলবৈচিত্র্যে বার্সেলোনার অনন্য আধিপত্য

হান্সি ফ্লিকের বার্সেলোনা যেন এই মৌসুমে ইউরোপীয় ফুটবলে গোল করার এক নতুন সংজ্ঞা তৈরি করেছে। যেখানে অন্য ক্লাবগুলো নির্দিষ্ট একজন বা দুজন স্ট্রাইকারের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে বার্সেলোনা গোলের দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছে পুরো দলজুড়ে। ফলে ম্যাচের পর ম্যাচ কোচ ফ্লিককে আলাদা করে ভাবতে হচ্ছে না—কাকে নামালে গোল আসবে, কাকে বিশ্রাম দিলে আক্রমণ দুর্বল হবে। তাঁর দলে প্রায় সবাই গোল করতে জানে, আর সেটিই ইউরোপের ফুটবল মানচিত্রে বার্সেলোনাকে এনে দিয়েছে অনন্য অবস্থান।

শনিবার রাতে এলচের মাঠে ৩–১ গোলের জয় তারই একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ম্যাচটিতে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল, ফেরমিন লোপেজ ও মার্কাস রাশফোর্ড। এই জয় শেষে লা লিগার ২২তম রাউন্ডে বার্সেলোনা এক পয়েন্টে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এগিয়ে উঠে এসেছে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে। তবে লিগ শীর্ষে ওঠার চেয়েও বড় আলোচনা তৈরি করেছে গোলদাতাদের তালিকা।

এলচের বিপক্ষে গোল করে ফেরমিন লোপেজ ও মার্কাস রাশফোর্ড দুজনই চলতি মৌসুমে নিজেদের দশম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এর ফলে এই মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে ১০ বা তার বেশি গোল করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়জনে। এর আগে এই তালিকায় ছিলেন ফেরান তোরেস, রাফিনিয়া, লামিনে ইয়ামাল ও রবার্ট লেভানডফস্কি। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মোট ৯৬টি ক্লাবের মধ্যে একমাত্র বার্সেলোনারই অন্তত ছয়জন খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা চলতি মৌসুমে ১০ বা তার বেশি গোল করেছেন। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, গোলবৈচিত্র্যের দিক থেকে বার্সেলোনা কতটা এগিয়ে।

অন্য শীর্ষ ক্লাবগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে ব্যবধান আরও স্পষ্ট হয়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হিসেবে বায়ার্ন মিউনিখের মাত্র তিনজন খেলোয়াড় ১০ বা তার বেশি গোল করেছেন। সেখানে একাই হ্যারি কেইন করেছেন ৩৬ গোল, যা বাকি দুই গোলদাতা লুইস দিয়াজ (১৫) ও মাইকেল ওলিসে (১৩) মিলিয়েও ছুঁতে পারেননি। অর্থাৎ, অনেক ক্লাবেই গোল মানেই একজন তারকার ওপর নির্ভরতা। কিন্তু বার্সেলোনার ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ছয়জনের কেউই এখনো ২০ গোলের সীমা ছুঁতে পারেননি। দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ফেরান তোরেসের গোলসংখ্যা ১৬। রাফিনিয়া ও লামিনে ইয়ামাল করেছেন ১৩টি করে গোল, অভিজ্ঞ রবার্ট লেভানডফস্কির গোল ১২। এর বাইরে লোপেজ ও রাশফোর্ড আছেন ১০ করে গোল নিয়ে। অর্থাৎ, বার্সেলোনার আক্রমণভাগে কোনো একক গোলমেশিন নেই, আছে ধারাবাহিকভাবে গোল করে যাওয়া একাধিক অস্ত্র।

নিচের টেবিলটি বার্সেলোনার এই গোলবণ্টনের চিত্রটি আরও পরিষ্কার করে তুলে ধরে:

খেলোয়াড়ের নামগোলসংখ্যা (চলতি মৌসুম)
ফেরান তোরেস১৬
রাফিনিয়া১৩
লামিনে ইয়ামাল১৩
রবার্ট লেভানডফস্কি১২
ফেরমিন লোপেজ১০
মার্কাস রাশফোর্ড১০

এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, বার্সেলোনার ড্রেসিংরুমে গোল করার দায়িত্ব যেন অদৃশ্য এক সমঝোতার মাধ্যমে ভাগ হয়ে গেছে। কেউ একা নায়ক নন, সবাই মিলে দলকে জেতাচ্ছেন। হান্সি ফ্লিকের জন্য এটিই সবচেয়ে বড় স্বস্তি—গোলের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নাম নয়, পুরো দলটাই তাঁর ভরসা।

মন্তব্য