খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ই ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০ পিএম
সাইমুম সরওয়ার কমল (জন্ম ২ জানুয়ারি ১৯৭০) হলেন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ ও কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য।
Table of Contents

সাইমুম সরওয়ার কমল ২ জানুয়ারি ১৯৭০ সালে কক্সবাজারের রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মন্ডল পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী ও মাতার নাম রওশন চৌধুরী। তার স্ত্রী সৈয়দা সেলিনা আক্তার শেলী। এই দম্পতীর এক পুত্র ও এক কন্যা।
তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে বিএসএস ও এমএসএস ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ২০০০ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস ইউনির্ভাসিটি ইউএলবি থেকে আর্ন্তজাতিক রাজনীতি বিষয়ে এমএসএস ডিগ্রী অর্জন করেন। আমেরিকার মিশিগান স্টেইট ইউনির্ভাসিটি থেকে তিনি এক্সটার্নাল রিলেশনস অব দি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বিষয়ে ডিপ্লোমা এবং ফ্রান্সের ওইসিডি থেকে দি অর্গনাইজেশন ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন এন্ড ডেভলপমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন।
সাইমুম সরওয়ার কমল ২০১৩ সালে সোনালী ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন।
সাইমুম সরওয়ার কমল স্বেচ্ছাসেবক লীগের গত কমিটিতে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন । তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ আসন থেকে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়ে ছিলেন।
সাইমুম সরওয়ার কমল করোনা প্রকোপের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা চলমান সময়েই গণজমায়েত করে ত্রাণ বিতরণ করায় সমালোচিত হন। তিনি ২০১৩ সালে সোনালী ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালীন হল-মার্কের এমডি তানভীর মাহমুদ পরিচালনা পর্ষদকে ‘ম্যানেজ’ করার জন্য সাইমুমকে তিন কোটি টাকা দেওয়ার কথা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন। কমলের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন রামুর এক প্রবীণ শিক্ষক শিক্ষক সুনীল কুমার শর্মা। লাঞ্ছনার শিকার শিক্ষক কমলকে শিশুকালে পড়িয়েছেন।

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।
কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
আরও দেখুনঃ
মন্তব্য