খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ই নভেম্বর ২০২২, ৪:৫২ পিএম
মজিবুর রহমান চৌধুরী যিনি নিক্সন চৌধুরী নামে পরিচিত। (জন্ম: ৩ মার্চ ১৯৭৮) বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ যিনি ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন, সদরপুর ও ভাঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ -সদস্য।
Table of Contents

মজিবুর- রহমান চৌধুরীর ৩ মার্চ ১৯৭৮ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচরের দত্তপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী এবং মাতার নাম ফিরোজা বেগম। তার দাদী ফাতেমা বেগম শেখ মুজিবুর রহমানের বড় বোন ছিলেন। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন। সাংসদদের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যে তিনি এসএসসি পাস বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি ২০১৬ সালে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর মেয়ে, দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশক তারিন হোসেনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তার ভাই নূর-ই-আলম চৌধুরী মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ- সদস্য।
নিক্সন চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী -যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। পেশায় ব্যবসায়ী তিনি। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ফরিদপুর-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী -যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ।

সংসদ -সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ স-দস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
সাধারণত সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
আরও দেখুনঃ
মন্তব্য