খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১ই নভেম্বর ২০২২, ৪:২০ পিএম
ইকবাল হোসেন সবুজ একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য। ইকবাল হোসেন সবুজ গাজীপুর-৩ আসন থেকে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
Table of Contents

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার প্রহলাদপুরের দমদমা গ্রামে জন্ম নেয় ইকবাল-হোসেন সবুজ। স্থানীয় স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করে ভাওয়াল বদলে আলম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যায়ন করেন ইকবাল হোসেন সবুজ।
ইকবাল হোসেন ২০০৯ সালে শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ছিলেন ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি। বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ইকবাল হোসেন-সবুজ। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হওয়ার পর পুরোদস্তুর রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য থাকাকালীন গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করে । এরপরই হন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি গাজীপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে তখন মনোনয়ন পান সাবেক সাংসদ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক রহমত আলী।
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
মন্তব্য