আলমগীর হায়দার খাঁন (১৯৪৯–১৩ এপ্রিল ২০১৬) বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার রাজনীতিবিদ যিনি তৎকালীন চাঁদপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
Table of Contents
আলমগীর হায়দার | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
আলমগীর-হায়দার খাঁন ১৯৪৯ সালে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের মূলপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সিরাজুল ইসলাম খাঁন। তার এক ছেলে, দুই মেয়ে।
রাজনৈতিক ও কর্মজীবন
আলমগীর হায়দার খাঁন ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। মূলপাড়া শামসুদ্দিন খান কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি।
১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ, ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি তৎকালীন চাঁদপুর-৬ আসন থেকে পরপর চার মেয়াদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মৃত্যু
আলমগীর-হায়দার খাঁন ১৩ এপ্রিল ২০১৬ সালে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০২ সালে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পারিবারের তত্ত্ববধানে ছিলেন। ৮ এপ্রিল ২০১৬ শারীরীক অবস্থা খারাপ দেখে হসপিটালে ভর্তি করানো হয়।

সংসদ সদস্য:
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
আরও দেখুনঃ