খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ই ডিসেম্বর ২০২০, ২:৪৮ পিএম
শেখ আবদুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি একাধারে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, দক্ষ সংগঠক এবং একাধিক মেয়াদে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
Table of Contents
শেখ আবদুর রহমান বাগেরহাট জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে বাগেরহাটের আলো-বাতাসে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, যা তাঁকে পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে নিয়ে আসে।
শেখ আবদুর রহমানের রাজনৈতিক জীবন ছিল অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় এবং ত্যাগী। তিনি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে সক্রিয় ছিলেন:
শেখ আবদুর রহমান তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনগণের সেবা করেছেন।
১. প্রথম জাতীয় সংসদ (১৯৭৩): দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তৎকালীন খুলনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২. তৃতীয় জাতীয় সংসদ (১৯৮৬): রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনয়নে বাগেরহাট-২ আসন থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
৩. পরবর্তী নির্বাচন: ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন।
রাজনীতির বাইরেও বাগেরহাট ও খুলনা অঞ্চলের শিক্ষা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর অবদান স্মরণীয়। তিনি বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে যুদ্ধ-পরবর্তী বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে তাঁর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
| বিষয় | তথ্য |
| নাম | শেখ আবদুর রহমান |
| জন্মস্থান | বাগেরহাট জেলা |
| পরিচয় | বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংসদ সদস্য |
| নির্বাচিত আসন | খুলনা-২ (১৯৭৩), বাগেরহাট-২ (১৯৮৬) |
| রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা | আওয়ামী লীগ, পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি |
| মূল অবদান | মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা-পরবর্তী সংসদীয় রাজনীতি |
মন্তব্য