ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

শহীদ মিনারে রাকিব হত্যায় দুই আসামি স্বীকার

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ই মার্চ ২০২৬, ৭:৩২ পিএম

শহীদ মিনারে রাকিব হত্যায় দুই আসামি স্বীকার

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ২৫ বছর বয়সী কলেজ শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম রাকিব হত্যার ঘটনায় দুটি আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত অপর দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট চার আসামি—গোলাম রসুল শিহাব, সাগর কবির, রাফিন শেখ এবং শাহরিয়ার নাজিম জয়—এর গ্রেপ্তার ও জবানবন্দি সংক্রান্ত কার্যক্রম চলছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে বুধবার (১৮ মার্চ) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড ও রিমান্ডের আদেশ দেওয়া হয়। শাহবাগ থানার এসআই মো. মিঠু সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চার আসামির মধ্যে শিহাবকে শহীদ মিনার এলাকা থেকে, সাগরকে পটুয়াখালি থেকে, এবং রাফিন ও জয়কে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে হাজির হওয়ার পর শিহাব ও সাগর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর দুই আসামির জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।

রিমান্ডের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র—একটি পিস্তল এবং চাইনিজ ছুরি—উদ্ধার, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন এবং পলাতক আসামিদের শনাক্তকরণ সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে। শিহাব ও সাগর প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন যে, খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে।

নিহত রাকিব শেখ বোরহানুদ্দীন কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তার বাবা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী তরিকুল ইসলাম খোকন, শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, রাকিবকে প্রথমে গুলি করা হয়, পরে পাঁচ–ছয়জন ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয় পথচারীরা আহত রাকিবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিচের টেবিলে ঘটনার প্রধান তথ্যগুলো সংক্ষেপে দেওয়া হলো:

তারিখ ও সময়ঘটনাস্থানপ্রাথমিক তথ্য
১৭ মার্চ, রাত ৮:৩০মোটরসাইকেল পার্কিং করার পর রাকিবকে লক্ষ্য করে আক্রমণশহীদ মিনার, ঢাকা৫–৬ জন হামলাকারী; গুলি ও ছুরিকাঘাত; রাকিব রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে যায়
১৮ মার্চআসামিদের আদালতে হাজির ও জবানবন্দি রেকর্ডঢাকাশিহাব ও সাগর দোষ স্বীকার; রাফিন ও জয় পাঁচ দিনের রিমান্ডে
১৮ মার্চতদন্তের জন্য রিমান্ড আবেদনঢাকাহত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক আসামি শনাক্তকরণ

তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পুরো প্রেক্ষাপট উদঘাটনের জন্য আইনানুগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আসামিদের জবানবন্দি ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্র এই হত্যার রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই হত্যাকাণ্ড রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে সংঘটিত হওয়ায় এলাকায় জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ ও তদন্তকারীরা মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য তৎপর রয়েছেন।

মন্তব্য