খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ই ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৪৬ পিএম
শহিদুল ইসলাম মাস্টার ছিলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং ঝিনাইদহ-৩ থেকে নির্বাচিত সাবেক সাংসদ।
Table of Contents

শহিদুল ইসলাম মাস্টার ১৯৫০ সালে ভালাইপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম রাহাতুল্লাহ সরদার এবং মায়ের নাম আলফাতুনেচ্ছা বেগম। তিনি মহেশপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও যশোর এমএম কলেজ থেকে এইচএসসি ও বিএ এবং ঢাকা মোহাম্মদপুর কারিগরী কলেজ থেকে বিপিএড পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৭৪ সালের ১ নভেম্বর মহেশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন।
শহিদুল আলম ১৯৯১, ১৯৯৬, ১৯৯৬, এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। ২০০৮ সালে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মীরা তার মনোনয়ন তার পাওয়ার বিরুদ্ধে প্রচার চালায় এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন। তার বিরুদ্ধে আদালতে ৫ টি চাঁদাবাজির মামলা এবং ত্রাণ সামগ্রীর দুটি অপব্যবহারের মামলা দায়ের করা হয়েছিলো।
২১ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত রোগে ভুগছিলেন। তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।
কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
আরও দেখুনঃ
মন্তব্য