ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

ক্রিকেট

বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবি-আইসিসি দ্বন্দ্ব তীব্র

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ই জানুয়ারি ২০২৬, ২:৩৮ পিএম

বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবি-আইসিসি দ্বন্দ্ব তীব্র

আসন্ন আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মধ্যে যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, তা ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছিল, যাতে ভারতের পরিবর্তে অন্য কোনো দেশে ম্যাচ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। তবে আইসিসি এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়ে দেয়, আয়োজক দেশ ও ভেন্যু নির্ধারণের আগে বিস্তৃত নিরাপত্তা মূল্যায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আইসিসির এই সিদ্ধান্তের পরও বিসিবি অবস্থান পরিবর্তন না করায় বিষয়টি আর কেবল লজিস্টিক বা নিরাপত্তা প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি একটি প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক বিরোধে রূপ নিয়েছে। আইসিসির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ জানাতে বিসিবি সংস্থাটির স্বাধীন বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির কাছে আবেদন করে। কিন্তু সেই আবেদন প্রাথমিক পর্যায়েই খারিজ হয়ে যায়। কমিটি জানায়, আইসিসি বোর্ডের নীতিগত ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শোনার এখতিয়ার তাদের নেই।

আইসিসির বিধিমালার ধারা ১.৩ অনুযায়ী, বোর্ডের কৌশলগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবেই এই কমিটির আওতার বাইরে। ফলে বিসিবির আবেদন গ্রহণযোগ্য হয়নি এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদের সামনে বিকল্প পথও সীমিত হয়ে পড়ে। বিসিবির একাধিক কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, শেষ আশ্রয় হিসেবে ক্রীড়া সালিশ আদালতে যাওয়ার বিষয়টি তারা বিবেচনা করছেন এবং সে লক্ষ্যে প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।

এই অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আইসিসি বোর্ডের একাধিক সদস্য বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলন করে অবস্থান জানানোর ফলে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আইসিসির ভেতরে এমনও মত রয়েছে যে, সংস্থাটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত না করে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়াটা প্রক্রিয়াগতভাবে সঠিক ছিল না।

পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জানা গেছে, আইসিসি চেয়ারম্যান জে শাহ এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে পারেন এবং ইতোমধ্যে দুবাইয়ে আলোচনা তদারকিতে উপস্থিত হয়েছেন। কিছু মহলে জল্পনা চলছে, বিরোধ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিবর্তে অন্য কোনো দলকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডের নাম আলোচনায় এসেছে। যদি এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়, তবে তা বাংলাদেশের ক্রিকেট কূটনীতির জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হবে।

নিচের টেবিলে বিসিবির সামনে থাকা সম্ভাব্য পথ ও তার প্রভাব তুলে ধরা হলো—

সম্ভাব্য পদক্ষেপসংক্ষিপ্ত বিবরণসম্ভাব্য প্রভাব
ক্রীড়া সালিশ আদালতে আবেদনআইসিসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইদীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, ফল অনিশ্চিত
পুনরায় আলোচনাআইসিসি নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি সংলাপসম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ
সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়াপ্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়া মেনে নেওয়াআন্তর্জাতিক মর্যাদায় ক্ষতি

সব মিলিয়ে, একটি ভেন্যু সংক্রান্ত উদ্বেগ থেকে শুরু হওয়া এই ঘটনা এখন বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনের জন্য একটি বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। চূড়ান্ত ফল যা-ই হোক, এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে বৈশ্বিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

মন্তব্য