পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন আব্দুল মান্নান

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান। তিনি বর্তমানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পরিকল্পনা অনুবিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন।

রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়েছে, পেট্রোবাংলার দাপ্তরিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মো. আব্দুল মান্নানকে তার নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হলো।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং সংস্থাটির দৈনন্দিন কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অতিরিক্ত দায়িত্ব সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্থার শীর্ষ পদ শূন্য হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে প্রদান করা হয়ে থাকে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হককে তার পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। ওই সিদ্ধান্তের পর পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়ে পড়ে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মো. এরফানুল হক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় তিন মাসের মধ্যেই তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

পেট্রোবাংলা বাংলাদেশের তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটির চেয়ারম্যান পদটি প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন, যতদিন না এ বিষয়ে পরবর্তী কোনো নির্দেশনা জারি করা হয়।

প্রশাসনিক নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি সংস্থার শীর্ষ পদে পরিবর্তন বা শূন্যতা সৃষ্টি হলে সাধারণত অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান বা বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়, যাতে সংস্থার নিয়মিত কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পেট্রোবাংলার চলমান কার্যক্রম, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।