ওমানের দক্ষিণ আল বাতিনাহ গভর্নরেটের মুলাদ্দা এলাকায় গাড়ির ভেতর থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া চার প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইয়ের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৭২২-এ করে তাদের মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী। তিনি ঘটনাটিকে মর্মান্তিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত হিসেবে উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিটি মরদেহের পরিবহন ও দাফনের জন্য সংশ্লিষ্ট পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো রাতেই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার নিজ গ্রামে নেওয়া হয়। পরে বুধবার (২০ মে) সকাল ১১টায় নেছারাবাদ লালানগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মরদেহগুলো পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একই পরিবারের চার ভাইকে পাশাপাশি দাফনের জন্য আগে থেকেই পারিবারিক কবরস্থানে চারটি পৃথক কবর খনন করা হয়েছে। একই পরিবারের চারজনের একসঙ্গে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এর আগে ওমানের দক্ষিণ আল বাতিনাহ অঞ্চলের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর থেকে চার বাংলাদেশি প্রবাসী ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহায়তায় মরদেহ শনাক্ত করে দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
একই পরিবারের চার ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় রাঙ্গুনিয়ার স্থানীয় জনগণের মধ্যেও গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিবারের আর্থিক উন্নতির জন্য কাজ করলেও এমন আকস্মিক ঘটনায় পুরো পরিবার এখন শোকাহত।
স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা দাফন কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করছে বলে জানা গেছে। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বুধবার জানা
