খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ই মার্চ ২০২৩, ৪:৫৮ পিএম

চলতি বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য বিমান ভাড়া অনেকটাই বেড়েছে। এ নিয়ে জনমনেও তৈরি হয়েছে অসন্তোষ, জোর দাবি উঠেছে ভাড়া কমানোর। এ সংক্রান্ত শুনানি শেষে ভাড়া কমানোর নির্দেশ দেন হাইকোর্টও। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভাড়া কমানোর দাবি নাকচ করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিউল আজিম।
তার ভাষ্য: ‘বিমান ভাড়া যথাসাধ্য কম ধরা হয়েছে। এর চেয়ে কমানো সম্ভব নয়।’ এর মধ্য দিয়ে কার্যত হাইকোর্টের পরামর্শও উপেক্ষা করলেন বিমানের এমডি।

বিমান ভাড়া নিয়ে হজ গমনেচ্ছুদের অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে গত রোববার (১৯ মার্চ) বিমানের সদরদফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে শফিউল আজিম বলেন, ‘বিমান ভাড়া যথাসাধ্য কম ধরা হয়েছে। এর চেয়ে কমানো সম্ভব নয়। গত বছর (২০২২) হজ ফ্লাইটের বেইজ ফেয়ার তথা ভিত্তিভাড়া ছিল ১,৫০৮ ডলার বা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মতো। চলতি বছর তা ১ হাজার ৭৩৫ ডলার তথা ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা করা হয়েছে।’

যুক্তি হিসেবে বিমানের এমডি আরও বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম ও ডলারের বিনিময় হার বেড়ে গেছে। সৌদিতে বিমানবন্দর ট্যাক্সও বেড়েছে। এছাড়া সারা পৃথিবীতে এভিয়েশন কস্ট প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে চলতি বছর হজযাত্রীদের জন্য এ বিমান ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।’
তবে বিমানের এমডির এ বক্তব্যের সঙ্গে বিস্তর ফারাক রয়েছে বাস্তবতার। বিমান ভাড়া না কমানোর যুক্তি হিসেবে তার দাবিগুলো আসলে কতটা সত্য?

বিভিন্ন দেশে থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সময় সংবাদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, দূরত্বসহ যেকোনো বিচারে অন্য দেশের চেয়ে বিমানের ভাড়া কয়েকগুণ বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারা বছরের লোকসান মেটাতে ভাড়ার বোঝা হজযাত্রীদের কাঁধে চাপিয়ে দিচ্ছে সংস্থাটি। এতে সৌদি এয়ারলাইনসও সমান অর্থ নেয়ার সুযোগ পাওয়ায়, রিজার্ভ থেকে চলে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা।
আরও দেখুনঃ
মন্তব্য