জিলাইভ [ GLive ] | truth alone triumphs

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি ঘিরে

আবারও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া, যার ফলে পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জাপানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একাধিক সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে জাপানের জলসীমার বাইরে গিয়ে পতিত হয়।

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কইজুমি রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ছয়টার দিকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী এটি রাত নয়টার সময়ের ঘটনা।

জাপানের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জাপানের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে গিয়ে পতিত হয়েছে। এই অঞ্চলের মধ্যে সাধারণত সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিশেষ অধিকার সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের থাকে। তবে এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার তথ্য রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের প্রতিবেদনেও নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকরা নিয়মিতভাবে উত্তর কোরিয়ার এমন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার দিকে নজর রাখছে।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য

সময় (জাপান সময়)ঘটনাঅবস্থান/পতনপ্রতিক্রিয়াক্ষয়ক্ষতি
সকাল আনুমানিক ৬টাএকাধিক সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপজাপানের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরেজাপান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণকোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই

উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত রয়েছে। বিশেষ করে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের নিক্ষেপ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মনোযোগ আকর্ষণ করে।

জাপানের প্রতিরক্ষা বাহিনী সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পর্যবেক্ষণ, সতর্কতা জারি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করে থাকে। এ ঘটনার ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। বিভিন্ন সময়ে দেশটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক প্রযুক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে তার সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোতে প্রভাব ফেলছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

Tags :

Shourav Gurukul

Recent News