আহমেদ তফিজ উদ্দিন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

আহমেদ তফিজ উদ্দিন (১৯২৯-১৯৯৮) ছিলেন একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ যিনি তৎকালীন পাবনা-৯ ও পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।

আহমেদ তফিজ উদ্দিন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

আহমেদ তফিজ উদ্দিন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রারম্ভিক জীবন

তফিজ উদ্দিন ১৯২৯ সালে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার তারাবাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। তার ছেলে আহমেদ ফিরোজ কবির পাবনা-২ আসন আসনের সংসদ সদস্য ও সুজানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।

রাজনৈতিক জীবন

আহমেদ-তফিজ উদ্দিন ১৯৪৮ সালে তৎকালীন মুসলিম ছাত্রলীগে যোগদিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৫০ সালে তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএস নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের যোগদিয়ে তিনি পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়ে তিনি ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ এর সদস্য নিবাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে তিনি ভারতের কেচোয়াডাঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন পাবনা-৯ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সুজানগর উপজেলার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে ২৫ মে ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়ে পাবনা-২ আসন থেকে নির্বাচন করে প্রায় ৪৯ হাজার ভোট পেয়ে পরাজিত হন। ১২ ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় নির্বাচনে আঃ লীগ এর সমর্থন পেয়ে ৬৭,২৫০ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

মৃত্যু

তিনি ১৯৯৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

সংসদ সদস্য:

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

আহমেদ তফিজ উদ্দিন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment