মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জনি গণমাধ্যমকে জানান, দুই কিশোরী একসঙ্গে সড়ক পার হচ্ছিল। এ সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাঁদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। অন্য কিশোরী গুরুতর আহত অবস্থায় বেঁচে ছিল এবং নিজের নাম মুক্তা বলে জানায়।
পরে পুলিশ আহত মুক্তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অপর কিশোরীর মরদেহও উদ্ধার করা হয় ঘটনাস্থল থেকে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত দুই কিশোরীর পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের খুঁজে বের করা এবং পরিচয় শনাক্ত করা এখন পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এসআই মো. জনি আরও জানান, দুর্ঘটনাটি ভোরবেলায় ঘটায় যে ট্রাকটি দুই কিশোরীকে চাপা দিয়েছে, সেটিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা সম্ভব হয়নি। ট্রাকটি শনাক্ত করা এবং এর চালককে খুঁজে বের করার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
দুই কিশোরীর মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রাজধানীর ব্যস্ত সড়কগুলোতে পথচারীদের নিরাপদে চলাচল এবং সড়ক পারাপারের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভোরের দিকে যানবাহনের গতি, সড়কে পর্যাপ্ত নজরদারি এবং পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। শ্যামলীর এই দুর্ঘটনায় দুই কিশোরীর মৃত্যু আবারও সড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ, ট্রাকটির পরিচয় এবং চালকের বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।









