রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এভিনিউ-৫ এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলে করে এসে কয়েকজন ব্যক্তি গুলিবর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হলে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন রাতে জানান, দুটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন ব্যক্তি এলাকায় এসেছিলেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁরা একজন ব্যক্তিকে খুঁজতে সেখানে আসেন। পরে মোটরসাইকেলে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়।
তবে ঠিক কত রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত ধরন এবং গুলিবর্ষণের কারণ যাচাই করে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা করছে। মোটরসাইকেলে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি তাঁরা কোথা থেকে এসেছিলেন, ঘটনার পর কোন পথে চলে গেছেন এবং কাকে খুঁজতে সেখানে গিয়েছিলেন—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পল্লবী এভিনিউ-৫ এলাকায় পরপর চারটি গুলির শব্দ শোনা গেছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে গুলির সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য এবং সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কি না, আশপাশের কোনো স্থাপনা বা যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও পুলিশ যাচাই করছে। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য না থাকলেও প্রকাশ্য এলাকায় এ ধরনের গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গুলিবর্ষণের পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ, কাউকে লক্ষ্য করে হামলা, নাকি অন্য কোনো কারণ ছিল—তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে তা পরিষ্কার হতে পারে।
ঘটনার পর এলাকায় পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করার তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গুলিবর্ষণের উদ্দেশ্য বা জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।








