খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ই মে ২০২৬, ১১:২৯ এএম

কুমিল্লার তিতাস উপজেলা এলাকায় হত্যা মামলার এক আসামিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত মো. আবদুল লতিফ ভূঁইয়া (৪৫) উপজেলার মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ও মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।
গত সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার মানিককান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি পাহারায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ পাঠানো হয়। হাসপাতালের পথে রাত পৌনে দুইটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মৎস্য প্রকল্পে আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম মোল্লা নিহত হন। ওই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় আবদুল লতিফ ভূঁইয়া আসামি ছিলেন। তিনি প্রায় পাঁচ মাস কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পান।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আবদুল লতিফ ভূঁইয়া মানিককান্দি গ্রামের ফজলু মোল্লার ছেলে এবং নিহত যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লার জ্যাঠাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করেন। এ সময় তাঁকে মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে। পরে চিকিৎসার জন্য প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নিহতের নাম | মো. আবদুল লতিফ ভূঁইয়া |
| বয়স | ৪৫ বছর |
| বাড়ি | মানিককান্দি গ্রাম, তিতাস, কুমিল্লা |
| ঘটনা সংঘটিত হওয়ার সময় | সোমবার রাত সাড়ে নয়টা |
| ঘটনার স্থান | মানিককান্দি গ্রাম |
| পূর্ববর্তী মামলা | জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলা |
| উদ্ধারকৃত অস্ত্র | একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি গুলি |
| মৃত্যুর সময় | রাত পৌনে দুইটা, ঢাকা নেওয়ার পথে |
| ময়নাতদন্তের স্থান | শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গ |
মন্তব্য