বিশেষ প্রতিনিধি; জিলাইভ২৪.কম
বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে একক গ্রাহক হিসেবে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও গ্রুপকে বেঁধে দেওয়া ঋণ সীমা প্রত্যাহার করলোবাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে এ বিষয়ক এক সার্কুলারে বলা হয়, এখন থেকে বিদ্যুৎ খাতে কেস টু কেস ঋণসীমা নির্ধারন করবেবাংলাদেশ ব্যাংক।
ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সার্কুলার জারি করে।
সার্কুলারে বলা হয়, “বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় অর্থ সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে বিদ্যুত উৎপাদনকারী কোনো একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বাগ্রুপকে কোনো ব্যাংক কর্তৃক ঋণ প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে অনুমোদন প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ২৬খ(১) ধারারশর্তাংশে বর্ণিত নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩১ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হবে না।“
“বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি খাতে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে।“

সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানী আইন ১৯৯১ এর ২৬খ(১) ধারার শর্তাংশে উল্লিখিত ২৫% ঊর্ধ্বসীমার স্থলে ঊর্ধ্বসীমা কত হবে তাবাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করবে।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে দেয়া
বাংলাদেশ ব্যাংকের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, একক গ্রাহক হিসেবে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও গ্রুপকে কোনো ব্যাংক মূলধনের ২৫শতাংশের (ফান্ডেড ও নন–ফান্ডেড মিলিয়ে) বেশি ঋণ দিতে পারবে না। এর আগে এই হার ৩৫ শতাংশ ছিল।
মার্চ ২ এর সার্কুলারে পূর্ববর্তী এই নির্দেশ প্রত্যাহার করে অবারিত ঋণসীমা উন্মোচন করঅ হলো।
এর আগে গত নভেম্বর মাসে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ৫ বছরের জন্য এ সুবিধা দেয়া হয়।