সোমবার (১২ অক্টোবর) কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে এ রক্ষণাবেক্ষণকাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় উপজেলার সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল বিভিন্ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, পানি সরবরাহ, দোকানপাটের দৈনন্দিন কাজ এবং অনলাইননির্ভর কার্যক্রমে অসুবিধা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে কোন কোন নির্দিষ্ট এলাকা এই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আওতায় থাকবে, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি লাইনের আশপাশের গাছপালা কাটার কাজও করা হবে। বিদ্যুৎ লাইনের কাছাকাছি গাছের ডালপালা থাকলে ঝড়ো আবহাওয়া বা অন্য পরিস্থিতিতে সেগুলো লাইনের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিঘ্নের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
উলিপুর জোনাল অফিসের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক চিরেন্দ্র নাথ রায় জানান, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের যে অসুবিধা হবে, তার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে মঙ্গলবার বিকেল ৩টার আগেও গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ ফিরে পেতে পারেন। তবে কাজ শেষ হওয়ার সময়ের ওপরই সরবরাহ পুনরায় চালুর বিষয়টি নির্ভর করবে।
সাময়িক এই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিদ্যুৎনির্ভর জরুরি কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেরে রাখা এবং প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পরিকল্পনা করে নেওয়া হলে অসুবিধা কিছুটা কমতে পারে। রক্ষণাবেক্ষণকাজ শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে।









