গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে নার্গিস আক্তার ও লালমিয়া বাড়িয়ালা (৬০) নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় নার্গিসের বাড়ি থেকে ৬০ বোতল কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মদ এবং লালমিয়ার বাড়ি থেকে পাঁচ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
আটক নার্গিস আক্তার উত্তর দৌলতদিয়া এলাকার মৃত রব মোল্লার স্ত্রী। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় তাঁকে আটক করা সম্ভব হলেও লালমিয়া ও তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। তাঁদের শনাক্ত করে আটক করতে পুলিশের চেষ্টা চলছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব মদ উদ্ধার করা হয়েছে। নার্গিস আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া লালমিয়াসহ অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে উদ্ধার হওয়া মদের উৎস, সংরক্ষণ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। তবে উদ্ধার হওয়া মদ কারা কোথা থেকে সংগ্রহ করেছিলেন কিংবা সেগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এ ধরনের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে উদ্ধার হওয়া দ্রব্যের প্রকৃতি, পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
এদিকে অভিযানের পর এলাকায় মদ উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আটকের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক ব্যক্তিদের আটক এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মামলার অগ্রগতি ও তদন্তের ফলাফলের ওপর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নির্ভর করবে।









