আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত হংকংয়ের টিন কোয়াং রোড রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে এবারের টুর্নামেন্ট। এতে অংশ নেবে মোট ১২টি দেশ। প্রচলিত ক্রিকেটের তুলনায় অনেক সংক্ষিপ্ত এই ফরম্যাটে দ্রুত রান তোলা, আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং সীমিত সময়ে কার্যকর বোলিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে দল গঠনের ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে খেলার সামর্থ্যও বিবেচনায় আসে।
বাংলাদেশের ঘোষিত সাত সদস্যের দলে অধিনায়ক আবু হায়দার রনির সঙ্গে রয়েছেন সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। এই দল নিয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের প্রতিযোগিতায় নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা।
স্কোয়াডে সাব্বির রহমানের অন্তর্ভুক্তি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা এই ব্যাটার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। ছয় ওভারের ম্যাচে দ্রুত রান তোলার প্রয়োজন হয় বলে তাঁর মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারের উপস্থিতি দলের জন্য কার্যকর হতে পারে। তবে টুর্নামেন্টে তাঁর ভূমিকা এবং ব্যাটিংয়ের অবস্থান সম্পর্কে ঘোষণায় বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বাংলাদেশ রয়েছে ‘বি’ গ্রুপে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের এই দুই ম্যাচে ফলের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পর্বে বাংলাদেশের অবস্থান। প্রতিটি ম্যাচই তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, নিজ নিজ গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো মূল শিরোপার সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে প্লেট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। আর গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলো অংশ নেবে বোল প্রতিযোগিতায়। অর্থাৎ গ্রুপ পর্বে অবস্থান অনুযায়ী দলগুলো ভিন্ন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
ছয় ওভারের ক্রিকেটে ম্যাচের গতিপথ দ্রুত বদলে যেতে পারে। অল্প কয়েকটি বলেই বড় ব্যবধান তৈরি হওয়া সম্ভব। তাই ব্যাটিংয়ে আগ্রাসন দেখানোর পাশাপাশি বোলিংয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং ফিল্ডিংয়ে ভুল কমানোও গুরুত্বপূর্ণ হবে। বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে এসব দিক বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
সাত সদস্যের এই দল নিয়ে বাংলাদেশ কতটা এগোতে পারে, তা নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর। সাব্বিরের অন্তর্ভুক্তি যেমন বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে, তেমনি অধিনায়ক রনির নেতৃত্বে দলগত সমন্বয়ও হবে সাফল্যের অন্যতম শর্ত। ৩০ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রথম লক্ষ্য থাকবে গ্রুপ পর্বে ভালো ফল করে পরবর্তী ধাপে জায়গা করে নেওয়া।









