অঞ্জন দত্ত প্রকাশ করলেন আত্মজীবনী “অঞ্জন নিয়ে”

ভারতের বহুমুখী শিল্পী অঞ্জন দত্ত তার ৭২তম বছরে আত্মজীবনী প্রকাশ করেছেন। গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা, পরিচালক এবং লেখক হিসেবে দীর্ঘকাল ধারাবাহিকভাবে শিল্প ও সাহিত্য জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকা অঞ্জন দত্ত এবার তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত অভিজ্ঞতাগুলো একত্রিত করে পাঠকের সামনে তুলে এনেছেন। তার নতুন আত্মজীবনী “অঞ্জন নিয়ে”, যা ১৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ De’j Publications-এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, পাঠককে তার জীবন ও শিল্পজগতের অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

প্রকাশনার অনুষ্ঠান কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের অক্সফোর্ড বুকস্টোরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে “বাহাত্তুরে অঞ্জন” শীর্ষক আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অভিনেত্রী ও পরিচালক অপরণা সেন, এবং উপস্থিত ছিলেন দত্তের ভক্ত, সাহিত্যপ্রেমী ও শিল্পপ্রেমীরা।

আত্মজীবনী প্রকাশের সময় অঞ্জন দত্ত জানান, “৭৩তম জন্মদিনের আগে আমি অনুভব করলাম এটি আমার জীবনলিখনের সঠিক সময়। পরে হয়তো আমি বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ব, আমার হাস্যবোধ কমে যাবে, বা কিছু বেশি বলার চেষ্টা করব। তাই সত্য যেটা, সেটাই ধরে রাখতে চেয়েছি।”

অঞ্জন নিয়ে বইটি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোকে তুলে ধরে, যেখানে রয়েছে কলকাতার সৃজনশীল মহলে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাগুলো। দত্ত বলেন, “অনেকে জানেন আমার সম্পর্ক মৃণাল সেনের সঙ্গে, কিন্তু অনেকেই জানেন না স্যাটাজিত রে নিয়ে আমার কিছু মজার ও অন্তর্দৃষ্টি পূর্ণ কাহিনী। জার্মানিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিদের সঙ্গে আমার আলাপচারিতাও এই বইয়ে আছে। এগুলো পাঠককে আমাকে আরও গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।”

নিচের টেবিলে অঞ্জন দত্তের জীবন ও ক্যারিয়ারের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো:

বিষয়তথ্য
জন্ম তারিখ১৯ জানুয়ারি, কলকাতা
বয়স৭২ বছর (২০২৬-এ ৭৩)
পেশাগায়ক, গীতিকার, অভিনেতা, পরিচালক, লেখক
সর্বশেষ প্রকাশনাঅঞ্জন নিয়ে (১৫ জানুয়ারি ২০২৬)
উল্লেখযোগ্য সম্পর্কমৃণাল সেন, স্যাটাজিত রে, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব
প্রকাশকDe’j Publications

এই আত্মজীবনী শিল্প ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা ও পেশাগত সাফল্য একত্রিত করে, বইটি পাঠককে অঞ্জন দত্তের সৃজনশীল যাত্রার এক অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি সমকালীন শিল্পীর জীবন, দৃষ্টিভঙ্গি, সংগ্রাম এবং প্রেরণার একটি মূল্যবান জ্ঞানকোষ হিসেবে কাজ করবে।