কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ১৯ শতাংশ আমদানি শুল্ককে স্বাগত জানিয়েছেন, পূর্ব ঘোষিত ৩৬% বা তারও বেশি শুল্ক থেকে রেহাই পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে একে ‘সর্বোত্তম সুখবর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
“এটি কম্বোডিয়ান জনগণ ও অর্থনীতির উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে,”
— হুন মানেত, তার ফেসবুক পোস্টে (সূত্র: নমপেন থেকে এএফপি)
শুল্ক হারের ক্রমবিবর্তন:
| পর্যায় | ঘোষিত শুল্ক হার | প্রেক্ষাপট |
| প্রাথমিক হুমকি | ৪৯% | ‘লিবারেশন ডে’ নীতির অংশ হিসেবে |
| পরবর্তী হ্রাস | ৩৬% | গত মাসে হ্রাস পায় |
| চূড়ান্ত হার (বর্তমান) | ১৯% | বৃহস্পতিবার অনুমোদিত |
এই শুল্ক হার আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই কার্যকর হবে এবং এক ডজনেরও বেশি দেশের ওপর প্রযোজ্য হবে
বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
- কম খরচে পোশাক উৎপাদনের জন্য পরিচিত কম্বোডিয়া,
যেখানে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানির বড় অংশ তৈরি পোশাক। - বহু চীনা মালিকানাধীন কারখানা দেশটিতে অবস্থিত,
যেগুলোর মাধ্যমে চীনা পণ্য উচ্চ শুল্ক এড়িয়ে মার্কিন বাজারে ঢুকে পড়ছে—এই অভিযোগে হোয়াইট হাউজ শুল্ক আরোপ করেছে।
ভূরাজনৈতিক ঘটনা ও শুল্ক ঘোষণার সময়সূচি:
- থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষে ৪০ জনের বেশি নিহত হওয়ার পর
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করেন। - এর কয়েক দিনের মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে
নতুন শুল্ক নীতির ঘোষণা আসে।
