ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

কানাডার নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কে মুখোমুখি হচ্ছেন নেতারা

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ই এপ্রিল ২০২৫, ৮:৫৫ পিএম

কানাডার নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কে মুখোমুখি হচ্ছেন নেতারা

কানাডার আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে বুধবার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি উচ্চ পর্যায়ের ফরাসি ভাষার টেলিভিশন বিতর্ক, যেখানে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা মুখোমুখি হবেন।

প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে তার ফরাসি ভাষার দক্ষতা এবং কুইবেকে ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে।

এই বিতর্কে কার্নির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন কনজারভেটিভ নেতা পিয়েরে পোইলিভরে। সর্বশেষ জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেলদের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে পোইলিভরের দল।

কার্নি যুক্তি দিয়েছেন যে, একজন সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর হিসেবে তার অভিজ্ঞতা তাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য নীতির মোকাবিলায় সবচেয়ে উপযুক্ত করে তুলেছে। ট্রাম্পের সম্ভাব্য বাণিজ্য নীতি, বিশেষ করে আমেরিকা-কানাডা সম্পর্ক নিয়ে তার কঠোর অবস্থান, বহু কানাডিয়ানের চাকরি হুমকির মুখে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পোইলিভরেও ট্রাম্পের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বে এক দশকের দুর্বল অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স কানাডাকে আমেরিকার বাণিজ্য নীতির মুখে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

বিতর্কে আরও অংশ নেবেন নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) নেতা জগমিত সিং, কুইবেকভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী ব্লক কুইবেকোয়াসের নেতা ইভেস-ফ্রাঙ্কোইস ব্লাঞ্চেট এবং গ্রিন পার্টির সহ-নেতা জোনাথন পেডনো।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের নির্বাচন মূলত কার্নি ও পোইলিভরের মধ্যে সরাসরি দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়েছে। ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক লরা স্টিফেনসন বলেন, “এটি কার্যত দুই ঘোড়ার দৌড়— সাধারণত এমনটা হয় না।”

বুধবারের বিতর্কটি কুইবেকবাসীর প্রিয় হকি দল মন্ট্রিল কানাডিয়ানস-এর শেষ মৌসুমের ম্যাচের সময়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়, সে কারণে বিতর্কের সময়সূচি দুই ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছে।

কার্নির ফরাসি ভাষায় দক্ষতা নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা চলছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী পোইলিভরে, যিনি একইভাবে আলবার্টায় বেড়ে উঠেছেন, দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ করার সুবাদে একজন সাবলীল ফরাসিভাষী হিসেবে পরিচিত।

কানাডার রাজনীতিতে কুইবেক প্রদেশ সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। লিবারেল পার্টির তিনজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী— জিন ক্রেটিয়েন, পল মার্টিন ও জাস্টিন ট্রুডো— সকলেই ফরাসি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন এবং কুইবেকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।

ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব কানাডার পরিচালক ড্যানিয়েল বেলান্ড জানান, “কার্নির ফরাসি ভাষা ইতোমধ্যেই বিশ্লেষণের আওতায় এসেছে, তাই এ বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা সীমিত।”

এদিকে নির্বাচনী পরিবেশে ট্রাম্পের আগ্রাসী বাণিজ্যনীতি এবং কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে তার অবস্থান কিছু ফ্রাঙ্কোফোন ভোটারের মনোভাব বদলে দিচ্ছে।

৭০ বছর বয়সী মন্ট্রিলের বাসিন্দা ক্যারোল পটভিন এএফপিকে বলেন, “আমি আগে ব্লক কুইবেকোয়াকে সমর্থন করতাম, কিন্তু এই বছর আমি লিবারেলদের ভোট দিতে চাইছি। কারণ, আমরা এখন হুমকির মুখে। আমেরিকার মতো শত্রুর বিরুদ্ধে ঐক্য দরকার।”

তার মতে, “কার্নির ফরাসি ভাষা এখন আর উদ্বেগের বিষয় নয়।”

মন্ট্রিলের আরেক বাসিন্দা, ৫০ বছর বয়সী আলেকজান্দ্রে টিটলি, পটভিনের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

আগামী বৃহস্পতিবার ইংরেজি ভাষায় আরও একটি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে, যা পুরো কানাডার ভোটারদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

মন্তব্য

কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.