এ সপ্তাহে শুরু হচ্ছে বুস্টার ডোজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে ৩০ লাখ ডোজ করোনার টিকা দিয়েছে ফাইজার। এসব টিকা নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে বুস্টার ডোজ হিসেবে দেয়া হবে। সোমবার (২৯ মে) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এসব টিকা দিয়ে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষকে চতুর্থ এবং ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের তৃতীয় ডোজ দেয়া হবে।

এ সপ্তাহে শুরু হচ্ছে বুস্টার ডোজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কাদের কোভিড-১৯ বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিত?
এই বুস্টার ডোজ কাদের নেওয়া উচিত?
উত্তরটি হচ্ছে, ১২ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে সবারই বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিত।
বুস্টার ডোজ কোভিড ১৯ ইনফেকশনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা মজবুত করে এবং করোনা হলেও তা মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছাতে দেয় না, ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।বর্তমানে করোনার উচ্চ সংক্রামক ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের ব্যাপক বিস্তার রোধের জন্য আমেরিকার Centers for Disease Control and Prevention (CDC) বলছে যে দুই ডোজ টিকা নেওয়া ১২ বছর অথবা তার বেশি বয়সের সবারই সময় আসামাত্র একটা বুস্টার ডোজ নিয়ে নেওয়া উচিত।
এর বাইরে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সি যেসব বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অতিরিক্ত কম তারাও চাইলে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার ২৮ দিন পরে অতিরিক্ত একটি কোভিড ভ্যাকসিনের ডোজ নিতে পারে।
যেসব লোকের অন্যান্য লোকজনের সাথে প্রচুর মেলামেশা করা লাগে তাদেরকে অবশ্যই বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিৎ। যেমন:
- সম্মুখসারির সেবাদানকারীরা।
- যারা দীর্ঘদিন ধরে রোগীর সেবা করছেন।
- যেমন শিক্ষক, স্কুলের কর্মকর্তা কর্মচারী।
- খাদ্য এবং কৃষি কর্মী।
- কারখানার কর্মী।
- গণপরিবহন কর্মী।
- মুদি দোকানের কর্মী।








