সিলেটের আঞ্চলিক সংগীতের পরিচিত মুখ দিব্যানী দাস মিতালী এবার প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম শহরের কোনো মঞ্চে গান গাইতে যাচ্ছেন। আগামী ২৭ আগস্ট রাতে বন্দরনগরীর আগ্রাবাদে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন এই তরুণ শিল্পী।
সিলেটকেন্দ্রিক বিভিন্ন মঞ্চ আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা যায় মিতালীকে। আঞ্চলিক গানের পাশাপাশি শ্রোতাদের পছন্দের বিভিন্ন ধরনের গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। সিলেটের বাইরে দেশের বিভিন্ন এলাকায়ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলে গান করেন এই শিল্পী।
তবে চট্টগ্রাম শহরের মঞ্চে এবারই প্রথম তাঁর সরাসরি সংগীত পরিবেশনা হতে যাচ্ছে। ফলে অনুষ্ঠানটি মিতালীর ক্যারিয়ারের জন্যও আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। বিশেষ করে সিলেটের বাইরে নতুন শ্রোতাদের সামনে নিজের গান ও পরিবেশনার ধরন তুলে ধরার সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।
নিজের প্রথম চট্টগ্রাম আয়োজন নিয়ে মিতালী বলেন, এর আগে গান গাওয়ার জন্য খাগড়াছড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে চট্টগ্রাম শহরে কোনো অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম গান গাওয়ার সুযোগ হচ্ছে। নতুন এই শ্রোতাদের সামনে সংগীত পরিবেশন করতে পেরে তিনি আনন্দিত। অনুষ্ঠানে নিজের সেরা পরিবেশনা দেওয়ার প্রত্যাশাও জানিয়েছেন শিল্পী।
মিতালীর জন্য চট্টগ্রামের এই আয়োজন শুধু আরেকটি স্টেজ শো নয়, বরং তাঁর সংগীতযাত্রাকে আরও বিস্তৃত করার একটি সুযোগ। সিলেটের আঞ্চলিক সংগীতের সঙ্গে যাঁরা পরিচিত, তাঁদের অনেকের কাছেই তিনি ইতোমধ্যে পরিচিত নাম। এখন দেশের অন্য অঞ্চলের শ্রোতাদের কাছেও নিজের পরিবেশনা পৌঁছে দেওয়ার পথ তৈরি হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় ও তরুণ শিল্পীদের নিয়ে মঞ্চ আয়োজনের পরিসরও বাড়ছে। এসব অনুষ্ঠানে শিল্পীরা নিজেদের পরিচিত গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুন দর্শক-শ্রোতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন। মিতালীর চট্টগ্রাম সফরও সেই ধারার অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
আগ্রাবাদের অনুষ্ঠানে মিতালীর পরিবেশনায় কী ধরনের গান থাকছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে নিজের পরিচিত আঞ্চলিক গানের পাশাপাশি শ্রোতাদের উপযোগী গান নিয়ে মঞ্চে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। প্রথমবার চট্টগ্রাম শহরের শ্রোতাদের সামনে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন হয়, সেটিই এখন তাঁর জন্য সবচেয়ে আগ্রহের বিষয়।
মিতালীর কথায়, নতুন শহরের নতুন শ্রোতাদের সামনে গান গাওয়ার মধ্যে আলাদা উত্তেজনা রয়েছে। চট্টগ্রামের দর্শকদের ভালোবাসা ও সাড়া পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য একটাই—নিজের গানের মাধ্যমে শ্রোতাদের আনন্দ দেওয়া এবং প্রথম চট্টগ্রাম আয়োজনটি স্মরণীয় করে রাখা।









