ব্রেকিং নিউজ :
উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা উখিয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলের চেষ্টা: গাড়ি জব্দসহ গ্রেফতার ৭ সিংড়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর গ্রেপ্তার এনআইডি সহযোগিতার নামে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চৌগাছায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নাশকতার ঝুঁকিতে পুলিশের যানবাহন: সারা দেশে সদর দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা সংক্রমণ না কমায় হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু টঙ্গীতে ১০ বছরের ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার কলাবাগানে হোস্টেল কক্ষ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮ রাকসু জিএস আম্মারকে ঘিরে ধারাবাহিক অভিযোগে উত্তপ্ত রাবি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা

অর্থনীতি

এক বছরে ক্রিপ্টো থেকে ট্রাম্পের আয় ১০০ কোটি ডলারের বেশি

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১ই জুলাই ২০২৬, ৪:৩ পিএম

এক বছরে ক্রিপ্টো থেকে ট্রাম্পের আয় ১০০ কোটি ডলারের বেশি

হোয়াইট হাউসে ফেরার প্রথম বছরেই ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রার বাজার থেকে বিপুল অঙ্কের মুনাফা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের জন্য প্রতিবছর বাধ্যতামূলক বার্ষিক আর্থিক বিবরণী জমা দেওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, তাতেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ট্রাম্পের জমা দেওয়া ৯২৭ পৃষ্ঠার বিশাল আর্থিক নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কেবল ক্রিপ্টোকারেন্সি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ও লেনদেন থেকেই তাঁর আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনায় দেখা যায়, ট্রাম্পের এই আয়ের একটি বড় অংশ এসেছে তাঁর নিজস্ব মিম কয়েন থেকে। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক দিন আগে বাজারে আসা ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ থেকে রয়্যালটি বাবদ তিনি পেয়েছেন ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। যদিও চালুর পর থেকে এই কয়েনটির বাজারমূল্য বেশ খানিকটা হ্রাস পেয়েছে। এর পাশাপাশি ট্রাম্পের ছেলে এবং তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল’ থেকে ট্রাম্পের পকেটে এসেছে আরও ৫০ কোটি ডলারের বেশি।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, ক্রিপ্টো বাজার থেকে ট্রাম্পের এই আয় তাঁর ঐতিহ্যবাহী রিয়েল এস্টেট বা আবাসন ব্যবসার আয়কেও ছাড়িয়ে গেছে, যে ব্যবসা দিয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। তবে ট্রাম্পের এই বিপুল আয় আর্থিক বিবরণীতে আসার পর স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। সমালোচকদের ধারণা, প্রেসিডেন্ট পদটিকে ট্রাম্প নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার করছেন। তবে হোয়াইট হাউস জোরালোভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

হোয়াইট হাউসের উপপ্রেস সচিব আনা কেলি এক বিবৃতিতে জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সমস্ত ব্যবসা ছেলেদের পরিচালিত ট্রাস্টের অধীনে রেখেছেন, ফলে এখানে কোনো স্বার্থের সংঘাতের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তুলছেন। তিনি কিংবা তাঁর পরিবার কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থকে দেশের আগে রাখেননি।” আনা কেলি আরও দাবি করেন, তথাকথিত কিছু গণমাধ্যম ডেমোক্র্যাটদের পুরোনো ও মিথ্যা বক্তব্যই নতুন করে ছড়াচ্ছে। ট্রাম্প নিজেও অতীতে বলেছেন যে, তিনি ফেডারেল স্বার্থসংঘাত আইনের আওতায় পড়েন না। উল্লেখ্য, একসময় ট্রাম্প নিজে ক্রিপ্টোকারেন্সির তীব্র সমালোচক ছিলেন এবং বিটকয়েনকে ‘প্রতারণা’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।

রিয়েল এস্টেট, গলফ ও অন্যান্য পণ্যের রয়্যালটি

ক্রিপ্টোর বাইরে ট্রাম্পের অন্যান্য চিরচেনা ব্যবসা থেকেও বিপুল অর্থ এসেছে। তাঁর বিলাসবহুল মার–ই–লোগো ক্লাব থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ ছাড়া ফ্লোরিডার ট্রাম্প ন্যাশনাল ডোরাল মিয়ামি গলফ ক্লাব থেকে ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার এবং নিউ জার্সির বেডমিনস্টার, জুপিটার ও স্কটল্যান্ডের টার্নবেরি গলফ ক্লাব থেকে পৃথকভাবে ৩ কোটি ডলারের বেশি করে আয় হয়েছে। ট্রাম্প-ব্র্যান্ডের ঘড়ি থেকে রয়্যালটি বাবদ এসেছে ৪৭ লাখ ডলার। এর পাশাপাশি ট্রাম্প-ব্র্যান্ডের বাইবেল, জুতা, সুগন্ধি ও গিটার থেকেও লাখ লাখ ডলার ঘরে তুলেছেন তিনি।

ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আয়

ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশাপাশি ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও নিজের আয়ের খতিয়ান দিয়েছেন। তাঁর জীবন ও কাজের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রের লাইসেন্স চুক্তি থেকে ২০২৫ সালে তিনি ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছেন। এর বাইরে ডিজিটাল ছবি বা এনএফটি (নন-ফাঞ্জিবল টোকেন) বিক্রি করে তাঁর আয় হয়েছে আরও ৬০ লাখ ডলার।

আইনি মামলার নিষ্পত্তি থেকে মোটা অঙ্কের প্রাপ্তি

আর্থিক বিবরণীর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করা আইনি মামলার নিষ্পত্তি থেকে ট্রাম্পের বিপুল আয়। এবিসি নিউজ এবং সিবিএস ও সিবিএস ইন্টারঅ্যাকটিভের বিরুদ্ধে করা মামলা থেকে তিনি ১৬০ লাখ ডলার করে মোট ৩ কোটি ২০ লাখ ডলার পেয়েছেন। এ ছাড়া মেটা থেকে ২ কোটি ৪৫ লাখ ডলার, ইউটিউব থেকে ২ কোটি ২০ লাখ ডলার এবং এক্স (সাবেক টুইটার) থেকে ৮০ লাখ ডলারসহ মোট ৮ কোটি ৬৫ লাখ ডলার আয় করেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই অর্থের বড় অংশই ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি এবং ওয়াশিংটন ডিসি এলাকার পার্ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত অলাভজনক সংস্থায় দান করা হবে।

সব মিলিয়ে ট্রাম্পের মোট সম্পদ

ব্যবসায়িক সাফল্যের কারণে ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ গত এক বছরে আকাশচুম্বী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে যেখানে ট্রাম্পের সম্পদ ছিল ২৩৩ কোটি ডলার, ২০২৫ সালের বিবরণী শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে। অন্যদিকে ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার সূচক ট্রাম্পের সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে ৭৬০ কোটি ডলার বলে উল্লেখ করেছে।

ক্রিপ্টোর বিকাশে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিপ্টো খাতের প্রতি অত্যন্ত উদার নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি এই খাতের মিত্রদেরই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারণী পদে বসাচ্ছেন। মার্কিন আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ইউএস সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন’ (এসইসি)-এর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত পল অ্যাটকিন্সকে ক্রিপ্টো শিল্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মনে করা হয়। গত এপ্রিল মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর অ্যাটকিন্স তাঁর পূর্বসূরির কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে ক্রিপ্টো নিয়মনীতি অনেক শিথিল করেছেন। তা ছাড়া, গত জুলাই মাসে ট্রাম্প ‘জিনিয়াস অ্যাক্ট’ নামক একটি নতুন আইনে স্বাক্ষর করেছেন, যার মূল লক্ষ্যই হলো ডিজিটাল সম্পদের বাজারে আমেরিকাকে একক পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টদের তুলনায় ট্রাম্পের এই আর্থিক বিবরণীর কলেবর যেমন বিশাল, তেমনি এতে থাকা আয়ের অঙ্কও নজিরবিহীন। উদাহরণস্বরূপ, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর মেয়াদের শেষ বছরে যে আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন, তা ছিল মাত্র ১১ পৃষ্ঠার। আর ট্রাম্পের ক্ষেত্রে তা ৯০০ পৃষ্ঠা ছাড়িয়ে গেছে, যা তাঁর বিপুল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যেরই প্রমাণ দেয়।

মন্তব্য