উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশে অবস্থানকালে যুক্তরাষ্ট্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে তিনি পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন এবং সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা পর্যায়ের শিক্ষায় যুক্ত ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে দেশে ফেরার প্রক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে মরদেহটি দুবাই হয়ে আসা একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছায়। পরে বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশেষ ব্যবস্থায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহটি মাদারীপুরের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে বাবা, মা, ভাই, মামা, নানা ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজন ছিলেন।
মরদেহ গ্রহণের সময় স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। বিশেষ করে মায়ের কান্না ও আহাজারির কারণে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে বলে উপস্থিতরা জানান। স্বজনরা কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো প্রিয়জনকে বিদায় জানান।
বিমানবন্দরে উপস্থিত পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মরদেহ মাদারীপুরে পৌঁছানোর পর বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে, দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
ঘটনার সময়রেখা
| সময় | ঘটনা |
|---|---|
| সকাল ৯টা ১০ মিনিট | দুবাই হয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায় |
| সকাল ১০টা ৩০ মিনিট | বিমানবন্দর থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স মাদারীপুরের উদ্দেশে রওনা দেয় |
| দুপুর পরবর্তী সময় | গ্রামের বাড়িতে মরদেহ পৌঁছানোর প্রস্তুতি |
| বাদ আসর | জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার নির্ধারিত সময় |
| জানাজার পর | পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পন্ন |
নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে বিদেশে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানে গবেষণাধর্মী শিক্ষায় যুক্ত ছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। তার মরদেহ দেশে ফেরার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং পরিবার দাফনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।