ব্রিটিশ সংগীতের নতুন তরঙ্গ আয়ের রেকর্ড গড়ল

ব্রিটিশ সঙ্গীতের নতুন প্রজন্মের উদীয়মান শিল্পীরা – বিশেষ করে গায়কী অলিভিয়া ডিন এবং লোলা ইয়ং – ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যের রেকর্ডেড সঙ্গীত বাজারকে £1.5 বিলিয়নের গণ্ডি অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে। এটি বাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এত বড় বার্ষিক আয় প্রদর্শন করছে।

ব্রিট এবং গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী এই শিল্পীদের পাশাপাশি স্কাই নিউম্যান, সিয়েনা স্পাইরো এবং র‌্যাপার এসডিকেডের মতো অন্যান্য উদীয়মান তারকারাও এই প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এই প্রবণতার ফলে যুক্তরাজ্যের সঙ্গীত বাজার ১১তম বছর ধরে ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে।

ব্রিটিশ ফোনোগ্রাফিক ইন্ডাস্ট্রি (BPI) – যা যুক্তরাজ্যের সঙ্গীত শিল্পের মূল বাণিজ্য সংস্থা – জানিয়েছে যে, মোট আয় ২০২৫ সালে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে £1.57 বিলিয়নে পৌঁছেছে। এই আয় গাণিতিকভাবে নিম্নলিখিত উৎস থেকে এসেছে: স্ট্রিমিং, ফিজিক্যাল রিলিজ (ডিস্ক, ভিনাইল), ডিজিটাল ডাউনলোড, টেলিভিশন ও অন্যান্য ভিজ্যুয়াল মিডিয়াতে সঙ্গীতের ব্যবহার, এবং পাবলিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে।

২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যের সঙ্গীত বাজারের আয় সংক্রান্ত তথ্য

আয় উৎসমোট আয় (£ মিলিয়ন)২০২৪-এর তুলনায় বৃদ্ধি (%)
স্ট্রিমিং950+6
ফিজিক্যাল রিলিজ320+2
ডিজিটাল ডাউনলোড110-3
টিভি/ফিল্ম ও ভিজ্যুয়াল ব্যবহার120+4
পাবলিক পারফরম্যান্স70+5
মোট1,570+5

বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি হল স্ট্রিমিংয়ের চাহিদা এবং নতুন শিল্পীদের উদ্ভাবনী প্রতিভা। বিশেষত অলিভিয়া ডিন এবং লোলা ইয়ংয়ের গানগুলোর উচ্চ শ্রোতা সংখ্যা এবং আন্তর্জাতিক মনোযোগ বাজারকে আরও শক্তিশালী করেছে।

BPI-এর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, “যখন এমন উদীয়মান শিল্পীরা ব্রিটিশ সঙ্গীতকে নতুন মাত্রা প্রদান করছে, তখন আমরা শুধু অভ্যন্তরীণভাবে নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও আমাদের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে পারছি।”

বিশ্বব্যাপী সঙ্গীত বাজারে যুক্তরাজ্যের এই সাফল্য দেখাচ্ছে যে, দেশটি কেবল ঐতিহ্যগত শিল্পীদের জন্য নয়, নতুন প্রজন্মের জন্যও একটি সমৃদ্ধ পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, ২০২৬ সালে এই প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং নতুন প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সঙ্গীত শিল্পকে আরও সম্প্রসারণের সুযোগ মিলবে।