চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট পর্বের উত্তাপ বাড়াতে এবং দর্শক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাগতিক ভারত বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও ভারত-জিম্বাবুয়ে ম্যাচের স্বাভাবিক জনপ্রিয়তা সীমিত, তবু এই ম্যাচের ফলাফলের প্রভাব সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ। চেন্নাইয়ের চিপকে এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ, যেখানে ভারত ও জিম্বাবুয়ে মুখোমুখি হবে।
দর্শক আকর্ষণে চেন্নাই মেট্রো রেল লিমিটেড (সিএমআরএল) একটি অনন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ম্যাচের টিকিটধারীরা বিনা মূল্যে মেট্রো ব্যবহার করতে পারবেন। সিএমআরএল জানিয়েছে, প্রতিটি টিকিটে থাকা ইউনিক কিউআর কোডটি মেট্রো স্টেশনের অটোমেটিক ফেয়ার কালেকশন গেটে স্ক্যান করলে দর্শকরা প্রবেশাধিকার পাবেন। এই ব্যবস্থায় ম্যাচের দিন যে কোনো মেট্রো স্টেশন থেকে গভর্নমেন্ট স্টেট মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত একবার যাওয়া এবং একবার ফেরার সুযোগ থাকবে।
দর্শক চাপের প্রভাব বিবেচনা করে, সিএমআরএল রাত ১২টা পর্যন্ত মেট্রো চলাচল নিশ্চিত করেছে। গভর্নমেন্ট স্টেশনের শেষ ট্রেন রাত ১২টায় ছাড়বে। সিএমআরএল জানিয়েছে, এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (TNCA)-এর সঙ্গে যৌথভাবে, যাতে ম্যাচ দেখতে আসা দর্শকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন হয়।
মাঠের উত্তাপও কম নয়। ভারতের সমীকরণ জটিল। আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর ভারতের সেমি-ফাইনাল আশা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। জয় পেলে ভারতের সম্ভাবনা বাঁচবে, তবে দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের ফলাফলের দিকে নজর রাখতে হবে।
জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে গেলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন ভেঙে যেতে পারে। তাই চেন্নাইয়ে ম্যাচটি শুধু দর্শকদের উচ্ছ্বাস নয়, ভারতের জন্যও বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে দাঁড়াচ্ছে।
ম্যাচ ও যাতায়াত সংক্রান্ত তথ্য
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| তারিখ ও সময় | বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা, ৭:৩০ মিনিট |
| স্থান | চিপকে এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়াম, চেন্নাই |
| দল | ভারত বনাম জিম্বাবুয়ে |
| মেট্রো সুবিধা | টিকিটধারীদের জন্য বিনা মূল্যে যাত্রা |
| মেট্রো শেষ সময় | গভর্নমেন্ট স্টেট স্টেশন, রাত ১২টা |
| যাত্রা পদ্ধতি | যাওয়া ও ফেরার একবার করে, কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে |
ম্যাচের উত্তাপ, দর্শক উৎসাহ এবং স্বাগত ব্যবস্থা মিলিয়ে চেন্নাইয়ে ভারত বনাম জিম্বাবুয়ে ম্যাচটি ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য রোমাঞ্চের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এই উদ্যোগ মূলত ক্রীড়া এবং দর্শক ব্যবস্থাপনার এক উদ্ভাবনী সংমিশ্রণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
