‘ড. ইউনূসের শাসনে ৩০ লাখ নতুন গরিব’

আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান দাবি করেছেন, ড. ইউনূস সরকারের ক্ষমতায় আসার পর অন্তত ৩০ লাখ মানুষ নতুনভাবে দারিদ্র্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ড. ইউনূস সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নীতি এমনভাবে পরিচালিত হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে ৩০ লাখ মানুষ নতুন করে গরিব হয়েছে। এটি আমাদের সমাজের জন্য বিপজ্জনক সংকেত।”

তারেক রহমান আরও বলেন, নতুন সরকারের খবর প্রকাশের আগে জনগণকে পুরনো সরকারের নীতি এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঠিক চিত্র জানানো জরুরি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যে টাকা বা সম্পদ দিয়ে এই ৩০ লাখ মানুষ গরিব হয়ে পড়েছে, সেটি কে বা কারা গ্রহণ করেছে?”—এটি দেশের সম্পদের স্বচ্ছতা এবং ন্যায্য বণ্টনের ওপর বড় প্রশ্ন তুলে ধরে।

তারেক রহমানের মতে, এই ৩০ লাখ মানুষের দারিদ্র্য নতুন নয়; এটি পুরনো সরকারের অবহেলা ও চলমান অর্থনৈতিক অসাম্য থেকে তৈরি হয়েছে, কিন্তু বর্তমান সরকার তা আরও বিস্তৃত করেছে। তিনি বলেন, “সরকারি নীতি এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে, যা নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর নতুন বোঝা সৃষ্টি করেছে।”

নিম্নলিখিত টেবিলটিতে ড. ইউনূস সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন দারিদ্র্যের সংখ্যালঘু মানুষের সংখ্যানিরূপ তুলে ধরা হলো:

বিষয়বস্তুসংখ্যা/মান
নতুনভাবে গরিব জনগণ৩০,০০,০০০ জন
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সময়কাল১ বছর (প্রথম বছর)
প্রভাবিত এলাকাগ্রামীণ ও শহুরে নিম্ন আয়ের অঞ্চল
প্রধান কারণ (দাবি অনুযায়ী)অর্থনৈতিক নীতি, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা

তারেক রহমান আরও বলেন, “যেসব পরিবার নতুনভাবে দারিদ্র্যের কাছে ঠেলা পড়েছে, তাদের শিশু ও প্রবীণদের জীবনমান সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি সামাজিক ও শিক্ষাগত ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”

তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং সমাজের দুর্বল অংশকে সুরক্ষা দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন, যাতে সরকারের আর্থিক ও নীতিগত অগ্রগতি ও ব্যর্থতা উভয়ই সমানভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে।

মো. তারেক রহমানের এই অভিযোগ দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক নীতি এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দক্ষতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, “যদি এই ধরনের দারিদ্র্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রোধ না করা যায়, তবে ভবিষ্যতে আরও লক্ষাধিক মানুষ গরিব হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে।”