রায়পুরার চরমধুয়া গ্রামের গাজিপুরা এলাকায় রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তি হলেন রফিকুল ইসলাম সরকার (৫০), হাজী মঙ্গল মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে ব্যবসা করতেন। তার স্ত্রী মমতাজ সরকার উপজেলার ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রফিকুলের মৃত্যু তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে সংঘটিত একটি পারিবারিক ও স্থানীয় বিবাদ থেকে উদ্ভূত। নিহতের ভাই মোস্তাকিম ইসলাম জানিয়েছেন, চরমধুয়া গ্রামের রিফাত ও নয়ন নামের ব্যক্তিদের সঙ্গে রফিকুলের মতবিরোধ চলছিল। তাদের মধ্যে চলমান বিরোধের জেরে রোববার রাত সাড়ে নয়টায় স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রফিকুলকে পেছন থেকে গুলি করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, রফিকুল Several rounds of gunfire were fired at him while he was walking home. তিনি মুহূর্তের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে রাত সাড়ে ১০টায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রায়পুরা থানার ওসি প্রবীর চন্দ্র ঘোষ বলেন, “প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত কলহকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারিক বিবরণ অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের সময় ও ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচের টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নিহতের নাম | রফিকুল ইসলাম সরকার |
| বয়স | ৫০ বছর |
| পিতার নাম | হাজী মঙ্গল মিয়া |
| স্ত্রী | মমতাজ সরকার (৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য) |
| স্থান | চরমধুয়া গ্রাম, গাজিপুরা, রায়পুরা |
| ঘটনা সময় | ৮ ফেব্রুয়ারি, রাত সাড়ে নয়টা |
| হাসপাতালে মৃত্যু ঘোষণা | রাত সাড়ে ১০টা, নরসিংদী সদর হাসপাতাল |
| ঘটনার প্রাথমিক কারণ | পারিবারিক ও স্থানীয় বিরোধ |
| অভিযুক্ত | রিফাত ও নয়ন (প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী) |
স্থানীয়রা বলছেন, এলাকায় নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের পর আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে। রায়পুরা থানার পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরিবার ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে থানা কয়েকজন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সমাজ ও প্রশাসন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশা করছে। হত্যা ও হত্যার পেছনের আসল কারণ উদঘাটনে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
