টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই ইয়াবা পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটককৃতরা বৃহৎ পরিমাণ ইয়াবা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করার পরিকল্পনা করছিল। স্থানীয় সূত্রের খবর, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতের দিকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা জব্দ করা হয়, যা আঞ্চলিক মাদক বাজারে উল্লেখযোগ্য ধাক্কা হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
টেকনাফ থানার পুলিশের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানায়, “এই অভিযান সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি মাদক চক্রের কার্যক্রমে বড় ধরনের ধ্বস ঘটিয়েছে। আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তের অবৈধ পথ ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার করত।” প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তারা ছোট-বড় সব ধরনের অবৈধ রুট ব্যবহার করত মাদক পরিবহনের জন্য।
জব্দকৃত ইয়াবা ও অভিযানের সংক্ষিপ্ত তথ্য নিম্নে দেওয়া হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| অভিযান এলাকা | টেকনাফ, কক্সবাজার |
| গ্রেপ্তারকৃত সংখ্যা | ২ জন |
| জব্দকৃত ইয়াবার মূল্য | প্রায় ৪ কোটি টাকা |
| অভিযান সময় | ১৩ জানুয়ারি, রাত |
| অভিযানের ধরন | সীমান্তবর্তী এলাকায় হঠাৎ অভিযান ও চেকপোস্ট |
| সম্ভাব্য লক্ষ্য | আঞ্চলিক ও স্থানীয় মাদক বাজার |
| দায়িত্বরত বিভাগ | টেকনাফ থানা, কক্সবাজার জেলা পুলিশ |
| জিজ্ঞাসাবাদ | চলমান, পাচারের মূল অংশ অনুসন্ধান চলছে |
পুলিশ জানায়, আটককৃতরা ইয়াবা বাংলাদেশে আনার পর দেশের বিভিন্ন শহরে বিতরণ করত। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া, এই ধরনের অভিযান কেবল মাদক প্রতিরোধ নয়, সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থানীয় শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
টেকনাফ থানার কর্মকর্তা আরও বলেন, “মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে। ভবিষ্যতে আরও কঠোর অভিযান চালানো হবে। স্থানীয় জনগণও পুলিশের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে।” স্থানীয়রা স্বীকার করেছেন যে, এই ধরনের অভিযান নাগরিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
মাদকদ্রব্য প্রতিরোধে পুলিশ এবং জনগণের যৌথ প্রচেষ্টা এখন আরও জোরদার হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক চক্র নির্মূল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা টেকনাফ থানার মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
