২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সূচি ডিসেম্বরের প্রথমেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে ইউরোপের দুটি শক্তিশালী দল—ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) এই দুই প্রীতি ম্যাচের তারিখ ও ভেন্যু প্রকাশ করেছে। তবে ম্যাচের নির্দিষ্ট সময় ঘোষণা করা হয়নি।
মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ দুটি। প্রথম প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৬ মার্চ বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে, যেখানে ব্রাজিল ফ্রান্সের সঙ্গে মুখোমুখি হবে। দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচ ৩১ মার্চ অরল্যান্ডোর ক্যাম্পিং ওয়ার্ল্ড স্টেডিয়ামে, যেখানে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে মুখোমুখি হবে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতিতে অনুষ্ঠিত এ দুটি প্রীতি ম্যাচ হবে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের পূর্ব প্রস্তুতির শেষ ধাপ। এরপরই আনচেলত্তি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করবেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা মিলিত হয়ে ১১ জুন থেকে শুরু হবে।
এই প্রীতি ম্যাচের জন্য ব্রাজিল জাতীয় দল অরল্যান্ডোর ইএসপিএন ওয়াইড ওয়ার্ল্ড কাপ কমপ্লেক্সকে অনুশীলন ও ক্যাম্পিং সুবিধা হিসেবে ব্যবহার করবে। গত বছর কোপা আমেরিকার সময়ও একই কমপ্লেক্স ব্যবহার করেছিল ব্রাজিল। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’ জানিয়েছে, আগামী মে মাসের শেষ সপ্তাহে তেরেসপোলিসের গ্রাঞ্জা কোমারিতে জাতীয় দলের অনুশীলন শুরু হবে।
জাতীয় দলের জেনারেল কোঅর্ডিনেটর রদ্রিগো কায়েতানো বলেছেন, ‘বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষস্থানীয় দুটি দলের বিপক্ষে আমাদের ম্যাচ হবে খুব উচ্চমানের। আমরা ইউরোপীয় দলের সঙ্গে মুখোমুখি হতে যাচ্ছি, যারা ব্রাজিলকে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ উপহার দিতে সক্ষম। এই অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।’
ব্রাজিল জাতীয় দলের জেনারেল কোঅর্ডিনেটর রদ্রিগো কায়েতানো বলেন, ‘বিশ্ব ফুটবলে শীর্ষ সারির দুটি দলের বিপক্ষে উঁচুমানের ম্যাচ হবে এ দুটি। বাছাইপর্ব উতরে যাওয়ার পর আমরা র্যাংকিংয়ে উচ্চ অবস্থানে থাকা দলগুলোর মুখোমুখি হবো, যারা বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং ভিন্ন ধারার খেলার প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা এশিয়া এবং আফ্রিকান ঘরানার দলের মুখোমুখি হয়েছি। ইউরোপের এমন দল খুঁজেছি, যারা ব্রাজিলকে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে।’
