ছোট পরিসর থেকেই নিজের চেষ্টায় ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পথে অগ্রসর তরুণ অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। আজ তিনি আর কারও ওপর নির্ভর নয়; নিজের পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে আয় করছেন, নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই পরিকল্পনা করছেন। এই আত্মনির্ভরশীলতা এবং স্বাধীনতার কারণে নিজের কথা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার আনন্দেই তিনি নিজেকে ‘রানি’ বা ‘কুইন’ বলে মনে করেন।
সাদিয়া আয়মান জানান, “আমি নিজের কাছে কুইন। সবসময়ই নিজেকে কুইন মনে করি। আর শুধু আমি না, প্রতিটি মেয়েই নিজেদের কুইন ভাবতে চায়। আমি একজন সেলফ-ডিপেন্ডেন্ট নারী। অভিনয়ই আমার পেশা। নিজের আয় দিয়ে নিজের খরচ নিজেই চালাই—চলাফেরা, শপিং, ঘোরা, সব করি নিজের মতো করে। তাই নিজেকে কুইন মনে করি। সমাজে প্রতিটি মেয়েই স্বাধীনভাবে নিজেকে দেখতে চায়।”
শুটিংয়ের ব্যস্ততা থাকায় নিজের মতো সময় কাটানো তেমন হয় না সাদিয়ার। তবে সম্প্রতি তিনি কিছুটা সময় বের করে কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন। এই ভ্রমণের নাম তিনি দিয়েছেন—‘কুইন রিট্রিট’।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “টানা কাজের পর একটা ব্রেক সত্যিই প্রয়োজন। নিজের মতো সময় কাটাতে ভালো লাগে। বন্ধুরা আড্ডা দিতে চাইলেও সময় হয়ে ওঠে না। দীর্ঘদিন ধরে আমার স্কুল-বন্ধু নাজিয়া বিনতে আশরাফের সঙ্গে ঘুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলাম। সে–ও আত্মনির্ভরশীল, নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পছন্দ করে। আমাদের দুজনেই নিজেদের কুইন মনে করি, তাই আমরা বের হয়েছিলাম ‘কুইন রিট্রিট’-এর জন্য।”
সাদিয়া আরও যোগ করেন, “স্বাধীনভাবে ঘুরতে যাওয়া সত্যিই দারুণ লাগে। এটা নিজেকে নিজেই দেওয়া একটা বিশেষ ট্রিট। আমি চাই সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্য কমে যাক এবং নারীরাও আত্মনির্ভর হয়ে তাদের স্বপ্ন পূরণ করুক। নারীও রানি হতে পারে—এই বিশ্বাসেই আমাদের ট্যুরের নাম ছিল ‘কুইন রিট্রিট’।“
এ বছর সাদিয়া ‘দেরি করে আসবেন’, ‘খুঁজি তোকে’, ‘মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর’, ‘প্লিজ গো’ নাটকে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে সর্বাধিক আলোচিত হয়েছেন তাঁর অভিনীত সিনেমা ‘উৎসব’ দিয়ে, যা তার অভিনয় দক্ষতা ও স্বকীয়তা তুলে ধরেছে।