NRBC ব্যাংক পিএলসি ২০২৫ সালে এশিয়ার সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-এ সিলভার র্যাঙ্ক অর্জন করেছে। এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর কর্পোরেট রিপোর্টিং (NCCR), ইন্দোনেশিয়া এবং ইনস্টিটিউট অফ সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাকটিশনার্স (ICSP)-এর যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ডঃ মো. তৌহিদুল আলম খান শুক্রবার বালিতে অনুষ্ঠিত একটি গালা অনুষ্ঠানে ICSP-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ একো গানিস সুকোহারসোনো এর হাতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। এই অর্জন NRBC ব্যাংকের আন্তর্জাতিক মানের টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
NRBC ব্যাংক সম্প্রতি তার প্রথম সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট-২০২৪ প্রকাশ করেছে, যার থিম ছিল “ইনক্লুসিভ ইনোভেশন, গ্রীন টুমরো”। রিপোর্টটি Global Reporting Initiative (GRI) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এবং ব্যাখ্যা করে ব্যাংক কিভাবে পরিবেশ বান্ধব ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল উদ্যোগ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে, রিপোর্টে তিনটি মূল ক্ষেত্রের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে:
সবুজ ও টেকসই ফাইন্যান্সিং
নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে বিনিয়োগ
জলবায়ু-সহনশীল কৃষি উন্নয়ন
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্যাংক কেবল দেশের মধ্যে নয়, বরং আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেছে। বিশেষত, এটি টেকসই অর্থায়ন, সামাজিক উন্নয়ন, এবং কর্পোরেট দায়িত্বের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।
নিচের টেবিলে NRBC ব্যাংকের সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টের মূল দিকগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| প্রধান ক্ষেত্র | মূল উদ্যোগ ও লক্ষ্য | প্রভাব ও ফলাফল |
|---|---|---|
| সবুজ ও টেকসই ফাইন্যান্সিং | টেকসই প্রকল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি | অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সমন্বয় |
| নবায়নযোগ্য শক্তি | সৌর ও বায়ু শক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগ | কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি |
| জলবায়ু-সহনশীল কৃষি | কৃষকদের জন্য জলবায়ু বান্ধব প্রযুক্তি ও ঋণ প্রদান | উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবেশগত প্রভাব কমানো |
| সামাজিক উদ্যোগ | নারী ও যুবক উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ | সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি |
ডঃ মো. তৌহিদুল আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ব্যাংকিং নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজের জন্য মূল্য সৃষ্টি করা। এই সাফল্য আমাদের পথচলার এক নতুন দিক নির্দেশ করছে।”
NRBC ব্যাংকের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাব ফেলার প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
