জি- লাইভ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ই আগস্ট ২০২৬, ৩:১৮ পিএম

জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ এবং কয়লা সরবরাহে জটিলতার কারণে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আবারও নাজুক হয়ে উঠেছে। জ্বালানি সংকট ও মেরামতের কারণে বর্তমানে ৪১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। চালু থাকা অনেক কেন্দ্রও প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে জাতীয় গ্রিডে তৈরি হয়েছে বড় ঘাটতি, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে রাজধানীর বাইরের শিল্পাঞ্চল থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনে।
সাম্প্রতিক সময়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আগের কয়েকটি রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে। বিতরণ কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গড়ে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। গত রোববার মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়। বিকেল ৩টায় ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট। রাত ১টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে। এর আগে ৩ আগস্ট রাত ১টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট। আর ২০২৩ সালের ২৭ জুন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছিল ৩ হাজার ৪১৯ মেগাওয়াট।
Table of Contents
বিদ্যুৎ সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে গ্যাসের ঘাটতি। দেশের বড় একটি অংশের বিদ্যুৎ উৎপাদন এখনও গ্যাসনির্ভর। ফলে গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যায়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দৈনিক চাহিদা প্রায় ২৫২ কোটি ঘনফুট। লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্তত ১০০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। অথচ বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পাচ্ছে মাত্র প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় সরবরাহ এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
গ্যাসের অভাবে একসময় প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হলেও বর্তমানে তা কমে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। কিছুদিন আগেও গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে উৎপাদন ছিল সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবকাঠামো ও সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানির অভাবে তার বড় অংশ কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয় গত ২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ২১৪ কোটি ঘনফুটে।
প্রায় ১৫ দিন পর আংশিক মেরামতের মাধ্যমে টার্মিনালটি থেকে ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। তবে এটি এখনও পূর্ণ সক্ষমতায় ফেরেনি। পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. শোয়েবের বক্তব্য অনুযায়ী, মেরামতের কাজ শেষ হতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহেই সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হলে আরও ৩০ থেকে ৩৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়তে পারে। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়ার কারণে জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
গ্যাসের পাশাপাশি কয়লা সরবরাহের সমস্যাও বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে। ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কুতুবদিয়ায় বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে কয়লা স্থানান্তরে বিলম্ব হচ্ছে। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা পৌঁছাতেও সময় বেশি লাগছে।
ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি পাওয়ারের কেন্দ্র থেকেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে। কেন্দ্রটি সাধারণত প্রায় ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করলেও কয়েক দিন ধরে তা ৮০০ থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। ঝাড়খণ্ডে বন্যার কারণে কয়লা ভিজে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গেছে। কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হলে উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট সক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার ৯৪৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট। রক্ষণাবেক্ষণের পর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হওয়ায় উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে। তবে রামপাল ও বড়পুকুরিয়ায় উৎপাদন কমেছে। বড়পুকুরিয়ার তিনটি ইউনিটের মধ্যে দুটি কারিগরি সমস্যায় বন্ধ রয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতির সবচেয়ে বড় চাপ পড়েছে সাধারণ গ্রাহকদের ওপর। দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিনে ও রাতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, আবার কোথাও বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সরবরাহ ফিরছে না।
তীব্র গরমের মধ্যে পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ফ্যান, এসি ও পানির পাম্প চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং অনলাইনভিত্তিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটছে। শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন।
সিলেটে গত সোমবার ২৪৭ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় ২০২ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল ৪৫ মেগাওয়াট। এর আগের দিন ঘাটতি ছিল ৫৬ মেগাওয়াট। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রোববার রাতে নগরের টুকের বাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
বগুড়ার সান্তাহারেও চাহিদার তুলনায় অর্ধেকের কম বিদ্যুৎ সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। সন্ধ্যার পর লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
শিল্পাঞ্চলেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। গ্যাস সংকটের সঙ্গে নতুন করে বিদ্যুৎ ঘাটতি যুক্ত হওয়ায় উদ্যোক্তাদের ওপর দ্বিমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে উৎপাদন লাইন বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিদ্যুৎ ফিরে এলেও যন্ত্রপাতি স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সময় লাগে। উৎপাদন চালু রাখতে অনেক প্রতিষ্ঠানকে জেনারেটর ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে জ্বালানি ব্যয় বাড়ছে এবং উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।
লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সচিব পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।
যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুত জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ দিতে পারবে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে গ্যাস সরবরাহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো গেলে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদনও দ্রুত বাড়ানো সম্ভব হবে। এতে লোডশেডিংয়ের চাপ কিছুটা কমতে পারে।
গ্যাস ও কয়লার ঘাটতি সামাল দিতে তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তবে এই পদ্ধতি ব্যয়বহুল। দীর্ঘ সময় তেলভিত্তিক কেন্দ্র চালাতে গেলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি সরকারি ভর্তুকির চাপও বাড়ে।
পিডিবির কর্মকর্তারা মনে করছেন, জরুরি পরিস্থিতিতে তেলভিত্তিক কেন্দ্র ব্যবহার করে ঘাটতি কিছুটা সামাল দেওয়া গেলেও এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক করাই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম আশা করছেন, এক-দুই দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। গ্যাসের ঘাটতির পাশাপাশি কয়লা সরবরাহে বিঘ্নকেও বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। এ বিষয়ে পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের আশা, এলএনজি টার্মিনাল পুরোপুরি সচল হলে দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে পারে। তাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিস্থিতিও কিছুটা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে লোডশেডিং পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে—এমন নিশ্চয়তা এখনই নেই। গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ে। তাই জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না হলে উৎপাদন ও চাহিদার ব্যবধান পুরোপুরি দূর করা কঠিন।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি কেবল সাময়িক কোনো সমস্যার ফল নয়। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া, আমদানিনির্ভর এলএনজির ওপর নির্ভরতা, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যার প্রভাব মিলেই সংকটকে আরও জটিল করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িকভাবে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়িয়ে লোডশেডিং কমানো সম্ভব হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো, জ্বালানির অপচয় কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, দেশের জ্বালানি সংকট এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতির পুরোপুরি পরিবর্তন সম্ভব নয়। শিল্প ও বিদ্যুৎ খাত সচল রাখতে প্রয়োজন হলে এলএনজি আমদানির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানেও জোর দিতে হবে।
জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন ঘাটতির পাশাপাশি কিছু এলাকায় স্থানীয় সঞ্চালন অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতাও বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজারে প্রায় ২০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১৪০ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি থাকছে প্রায় ৬০ মেগাওয়াট।
আড়াইহাজারে ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে। ২০২৩ সালে এটি চালু হওয়ার কথা থাকলেও এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, কোরিয়া থেকে বিশেষায়িত প্রকৌশলী দল এলে অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে সাত থেকে ১০ দিন সময় লাগতে পারে।
উপকেন্দ্রটি চালু হলে ভূলতা গ্রিডের ওপর চাপ কমবে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের বিকল্প পথ তৈরি হবে। এতে রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজারের স্থানীয় সরবরাহব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। তবে জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদন ঘাটতি থেকেই গেলে শুধু সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নত করে লোডশেডিং পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
বর্তমান সংকট তাই একক কোনো সমস্যার ফল নয়। গ্যাসের ঘাটতি, কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের অচলাবস্থা এবং স্থানীয় সঞ্চালন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা—সব মিলিয়েই পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে। স্বল্পমেয়াদে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য জ্বালানি সরবরাহ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বাড়ানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
মন্তব্য