জিলাইভ বাংলা | সত্যের জয় অবধারিত

২৯ আগস্ট বৈদেশিক মুদ্রায় ডলার বিক্রি ১২২.২০ টাকা

বাংলাদেশে শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, বৈদেশিক মুদ্রার নির্ধারিত বিনিময় হারে মার্কিন ডলারের বিক্রয়মূল্য ১২২ টাকা ২০ পয়সা। প্রতি ডলার কেনার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২১ টাকা ৯৫ পয়সা। ডলারের পাশাপাশি ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, ভারতীয় রুপি, অস্ট্রেলীয় ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার, চীনা ইউয়ান ও জাপানি ইয়েনের বিনিময় হারও প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত হার অনুযায়ী, আজ ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৬ টাকা ৩১ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি পাউন্ডে কেনা ও বিক্রির হারের ব্যবধান ৪৩ পয়সা। ইউরোর ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪২ টাকা ৭১ পয়সা। এ মুদ্রাটির ক্ষেত্রেও দুই হারের মধ্যে ৩১ পয়সার পার্থক্য রয়েছে।

ভারতীয় রুপির ক্ষেত্রে আজকের নির্ধারিত ক্রয় ও বিক্রয়—দুই হারই ১ টাকা ২৭ পয়সা। ফলে প্রকাশিত হিসাবে এ মুদ্রার ক্ষেত্রে কেনা ও বিক্রির মধ্যে কোনো ব্যবধান নেই। অস্ট্রেলীয় ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৬ টাকা ৮৬ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা ৯ পয়সা। অর্থাৎ দুই হারের পার্থক্য ২৩ পয়সা।

সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে প্রতি মুদ্রার ক্রয়মূল্য ৯৫ টাকা ৯৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৯৬ টাকা ১৩ পয়সা। চীনা ইউয়ানের ক্রয়মূল্য ১৮ টাকা ১১ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৮ টাকা ১৫ পয়সা। আর জাপানি ইয়েনের ক্রয় ও বিক্রয়—উভয় হারই ৭৭ পয়সা।

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার হার

মুদ্রাকেনার হারবেচার হার
মার্কিন ডলার১২১.৯৫ টাকা১২২.২০ টাকা
ব্রিটিশ পাউন্ড১৬৫.৮৮ টাকা১৬৬.৩১ টাকা
ইউরো১৪২.৪০ টাকা১৪২.৭১ টাকা
ভারতীয় রুপি১.২৭ টাকা১.২৭ টাকা
অস্ট্রেলীয় ডলার৮৬.৮৬ টাকা৮৭.০৯ টাকা
সিঙ্গাপুর ডলার৯৫.৯৩ টাকা৯৬.১৩ টাকা
চীনা ইউয়ান১৮.১১ টাকা১৮.১৫ টাকা
জাপানি ইয়েন০.৭৭ টাকা০.৭৭ টাকা

বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার শুধু বিদেশে ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত অর্থ পাঠানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, বৈদেশিক বাণিজ্য, প্রবাসী আয়, বিদেশে পড়াশোনা, চিকিৎসা ব্যয় এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক লেনদেনেও এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে ডলারের বিনিময় হার বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বড় একটি অংশ মার্কিন ডলারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

ডলারের বিক্রয়মূল্য বাড়লে বিদেশ থেকে পণ্য ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় বাড়তে পারে। এর প্রভাব উৎপাদন ব্যয় ও বাজারদরের ওপরও পড়তে পারে। আবার ডলারের হার কমলে আমদানিকারকদের জন্য একই পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে তুলনামূলক কম টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

পাউন্ড ও ইউরোর হারও বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভ্রমণ ব্যয়ের হিসাবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অর্থ পাঠানো বা সেখান থেকে পণ্য ও সেবা কেনার ক্ষেত্রে এসব মুদ্রার বিপরীতে টাকার মূল্য পরিবর্তিত হলে মোট ব্যয়ের পরিমাণও বদলে যায়।

তবে প্রকাশিত বিনিময় হারকে সব ক্ষেত্রে সরাসরি গ্রাহকের চূড়ান্ত লেনদেনের হার হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। ব্যাংক, অনুমোদিত মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান এবং লেনদেনের ধরন অনুযায়ী প্রকৃত হার কিছুটা আলাদা হতে পারে। একইভাবে দিনের বিভিন্ন সময়ে বাজার পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত হারের পরিবর্তনও ঘটতে পারে।

আজকের প্রকাশিত হিসাবে ডলার, পাউন্ড, ইউরো, অস্ট্রেলীয় ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার ও চীনা ইউয়ানের ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি। বিপরীতে ভারতীয় রুপি ও জাপানি ইয়েনের জন্য প্রদর্শিত দুই হার একই। বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচা, বিদেশে অর্থ পাঠানো কিংবা আন্তর্জাতিক লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ কার্যকর হার যাচাই করা জরুরি।

Tags :

SHOWRAV BISHWAS

সর্বশেষ খবর