খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ই ডিসেম্বর ২০২০, ২:০ পিএম
হাশেম আলী খান জাহেদী বাংলাদেশের বগুড়া জেলার রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক যিনি তৎকালীন বগুড়া-৯ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
Table of Contents
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য (মৌলভীবাজার–৩)
নাসের রহমানের পিতা মোঃ সাইফুর রহমান, ছিলেন জনসভার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতা। তাঁর দাম্পত্য-জীবন ভাগ্যজ্ঞানী রেজিনা নাসেরা রহমান নামের একজন স্ত্রীয়ের সঙ্গে। দম্পতির দুই কন্যা ও এক পুত্র রয়েছে ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে একাউন্টিং-এ স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর, নাসের রহমান শুরু করেন কর্পোরেট পথচলা। তিনি এলএলসি ব্যাংকে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া পরবর্তীতে হংকংয়ের বৃহত্তম সংস্থা হ্যাচিসন হোয়াম্পোয়া-এর আন্তর্জাতিক মোবাইল টেলিকম পরিচালনার দায়িত্ব স্বীকার করেন । পরে ১৯৯৪ সালে ব্যবসায় অব্যাহতি নেন এবং তৈরি পোশাক ও রিসোর্ট খাতে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ।
২০০১ সালের ১২ নভেম্বর মৌলভীবাজার–৩ আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচিত হন—এমনিতে এই আসনটি তাঁর পিতা ছেড়ে দেয়ার পর শূন্য হয়েছিল।
তিনি নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত সাইফুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেন ।
২০০৭ সালের মে মাসে দুর্নীতির অভিযোগে অ্যান্টি-করাপশন কমিশন মামলা দায়ের করে। প্রাক-স্খলন ও সম্পদ গোপনের অভিযোগে তিনি ও তাঁর স্ত্রী ২০০৮ সালে ১৩ বছরের কারাদণ্ড পান । পূর্বের ৯ বছরের দণ্ডে ২০০৯ সালে আদালত তাঁকে জামিন দেন এবং ২০১০ সালে গুরুতর অভিযোগ মওকুফ করা হয় ।
বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সচিব ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ।
সম্প্রতি, ২০২৫ সালের মার্চে তিনি বরলেখা প্রান্তিক এলাকায় এক শিশুকে গণধর্ষণ থেকে বাঁচাতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন। আহত শিশুকে আর্থিক সহায়তা ও আইনি নিরাপত্তা প্রদান করেন নাসের রহমান ।

সাফল্য–সমালোচনার মধ্যে দিয়ে মোঃ নাসের রহমানের জীবন রাজনীতি, ব্যবসা ও মানুষের সেবার এক অনন্য মিশ্রণ। পিতার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার গ্রহণ করে তিনি নির্বাচিত সংসদ সদস্যে পরিণত হন। দুর্নীতির দণ্ডের পর পুনঃস্থাপিত হয়ে দলীয় ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করে চলেছেন—এতে দেখা যায় তাঁর প্রতিশ্রুতি এবং মননশীলতা, যা তাঁকে নামজাদা রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
মন্তব্য