,

২০ সেপ্টেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার আজকের বিনিময় হার

বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত হারে মার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, ভারতীয় রুপি, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার, চীনা ইউয়ান ও জাপানি ইয়েনের কেনা ও বিক্রির মূল্য জানা যাচ্ছে।

বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার দেশের অর্থনীতি ও দৈনন্দিন আন্তর্জাতিক লেনদেনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয়, বিদেশে পড়াশোনা, চিকিৎসা ও ভ্রমণসহ নানা প্রয়োজনে বৈদেশিক মুদ্রার দর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ডলার, পাউন্ড ও ইউরোর মতো প্রধান মুদ্রার দামে পরিবর্তন হলে বিদেশি পণ্য আমদানি কিংবা আন্তর্জাতিক লেনদেনের ব্যয়েও তার প্রভাব পড়তে পারে।

২০ সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত হিসাবে মার্কিন ডলারের কেনার হার প্রতি ডলারে ১২২ টাকা ৯০ পয়সা। বিক্রির হার ১২৩ টাকা। অর্থাৎ ডলার কেনা ও বিক্রির হারের মধ্যে ব্যবধান ১০ পয়সা।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে প্রতি পাউন্ড কেনার হার ১৬৪ টাকা ৪৫ পয়সা এবং বিক্রির হার ১৬৪ টাকা ৬২ পয়সা। ইউরোর কেনার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪০ টাকা ৮৯ পয়সা, আর বিক্রির হার ১৪১ টাকা ৪ পয়সা।

প্রতিবেশী ভারতের মুদ্রা রুপির ক্ষেত্রে কেনা ও বিক্রির হার একই—প্রতি রুপি ১ টাকা ২৮ পয়সা। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের কেনার হার ৮৭ টাকা ৯ পয়সা এবং বিক্রির হার ৮৭ টাকা ২১ পয়সা।

সিঙ্গাপুর ডলারের প্রতি ইউনিট কেনার হার ৯৬ টাকা ১৩ পয়সা এবং বিক্রির হার ৯৬ টাকা ২৪ পয়সা। চীনা ইউয়ানের ক্ষেত্রে কেনার হার ১৮ টাকা ৩১ পয়সা ও বিক্রির হার ১৮ টাকা ৩২ পয়সা। অন্যদিকে জাপানি ইয়েনের কেনা ও বিক্রির হার উভয়ই ৭৯ পয়সা।

এই বিনিময় হার প্রবাসী আয় গ্রহণ, বিদেশে অর্থ পাঠানো, আমদানি ব্যয় পরিশোধ কিংবা বিদেশে পড়াশোনার জন্য অর্থ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় মুদ্রা কেনার ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট দিনের দর জানা জরুরি।

তবে প্রকাশিত হারকে সব ধরনের লেনদেনের জন্য অভিন্ন গ্রাহকহার হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। ব্যাংক, মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান এবং লেনদেনের ধরন অনুযায়ী একজন গ্রাহক বাস্তবে যে হার পাবেন, তা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। মুদ্রা কেনাবেচার সময় কমিশন, চার্জ বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত নিয়মও প্রযোজ্য হতে পারে।

বৈদেশিক মুদ্রার বাজারদরও স্থির থাকে না। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, মুদ্রার চাহিদা ও জোগান এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাবে প্রতিদিনই বিনিময় হারে ওঠানামা হতে পারে। ফলে ২০ সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত হারকে ওই দিনের জন্য প্রযোজ্য হার হিসেবে দেখা প্রয়োজন।

বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ক্ষেত্রে তাই শুধু প্রকাশিত দর দেখেই সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সর্বশেষ কার্যকর হার জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিদেশে অর্থ পাঠানো, আমদানি ব্যয় মেটানো বা ভ্রমণের জন্য মুদ্রা কেনার ক্ষেত্রে লেনদেনের সময়কার প্রকৃত হারই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে।

Tags :

সর্বশেষ খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : এ বি এম জাকিরুল হক টিটন ।

জিলাইভ২৪ বিশ্বব্যাপী বাংলাভাষীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন নিউজ পোর্টাল; যা রাজনীতি, খেলাধুলা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সংবাদের সর্বশেষ আপডেট প্রকাশ করে।

© ২০২৬ GLive24। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।