হাটহাজারী মডেল থানার নাশকতা ও হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মনির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার মো. সাইফুর রহমান।
গ্রেফতার হওয়া মো. মনির হোসেন (৪০) চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ছিপাতলী ইউনিয়নের কালু মুন্সীর বাড়ির আবদুল জব্বার হোসেনের ছেলে। তিনি ছিপাতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাটহাজারী মডেল থানার নাশকতা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় পলাতক ছিলেন।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক এ আর এম মোজাফফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁ থেকে মো. মনির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানের সময় তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন বলে র্যাব নিশ্চিত করেছে।
র্যাব সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে শুধু নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলাই নয়, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের আওতায়ও মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক অবস্থায় ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আটক করা সম্ভব হয়।
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মো. মনির হোসেনকে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এ ধরনের মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নাশকতা ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত মামলার আসামিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
নিচে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত তথ্য উপস্থাপন করা হলো—
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নাম | মো. মনির হোসেন |
| বয়স | ৪০ বছর |
| পিতার নাম | আবদুল জব্বার হোসেন |
| ঠিকানা | কালু মুন্সীর বাড়ি, ছিপাতলী ইউনিয়ন, হাটহাজারী |
| রাজনৈতিক পরিচয় | ছিপাতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি |
| মামলার ধরন | নাশকতা, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন |
| গ্রেফতারকারী সংস্থা | র্যাব |
| গ্রেফতারের স্থান | চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে একটি রেস্তোরাঁ |
| গ্রেফতারের সময় | সোমবার রাত |
গ্রেফতারের পর সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামলাগুলোর তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
