গ্রাহকভিত্তিক আধুনিক সেবা প্রসারের অংশ হিসেবে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এবং এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেডের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোনালী লাইফের প্রধান কার্যালয়ে এক আন্তর্জাতিক মানের প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে এ যৌথ চুক্তি সম্পন্ন করা হয়।
এই চুক্তির ফলে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পলিসিগ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের অনুমোদিত সুবিধাভোগীরা এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা থেকে সরাসরি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন। শুধু আর্থিক সুরক্ষা প্রদানের পর্যায় অতিক্রম করে বীমাগ্রহীতাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তি সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবা সহজলভ্য করাই এ যৌথ পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের জন্য নির্ধারিত স্বাস্থ্যসেবাসমূহ:
ইনপেশেন্ট ও আউটপেশেন্ট চিকিৎসা: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সরাসরি পরামর্শের সুযোগ এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য সুনির্দিষ্ট নিবিড় পরিচর্যা।
ডায়াগনস্টিক ও ল্যাবরেটরি টেস্ট: আধুনিক ল্যাব সুবিধা ব্যবহার করে নির্ভুল এবং দ্রুততম সময়ে রোগ নির্ণয় পরীক্ষা।
জরুরি ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস: যেকোনো স্বাস্থ্যগত সংকট মোকাবিলায় ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অ্যাম্বুলেন্স সেবা।
করপোরেট সাপোর্ট ডেস্ক: দীর্ঘ সারি এড়িয়ে দ্রুত সময়সূচি নির্ধারণ, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও সমন্বিত রোগী সহায়তা।
হোম হেলথকেয়ার ও ফার্মেসি: বাসা-বাড়িতে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং ২৪ ঘণ্টা উন্মুক্ত ওষুধ সুবিধা।
ডেডিকেটেড হটলাইন: জরুরি চিকিৎসা পরামর্শ এবং সার্বক্ষণিক সহায়তা যোগাযোগের জন্য প্রস্তুতকৃত হটলাইন চ্যানেল।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রফিকুল ইসলাম এবং এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেডের পক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার ও করপোরেট মার্কেটিং প্রধান এ এম আবুল কাশেম স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে স্বাক্ষর বিনিময় করেন।
স্বাক্ষর শেষে সোনালী লাইফের ভারপ্রাপ্ত সিইও মো. রফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, “প্রথাগত বীমা সেবার গণ্ডি পেরিয়ে গ্রাহকের সংকটের মুহূর্তে সরাসরি কাজের সেবাবলয় তৈরি করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক চিকিৎসায় গ্রাহকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এই উদ্যোগের মূল ভিত্তি।”
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া জানান, আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক কল্যাণ নিশ্চিত করাই একটি আধুনিক বীমা প্রতিষ্ঠানের মূল দায়িত্ব। অপরদিকে পরিচালক শেখ মোহাম্মদ দানিয়াল মত প্রকাশ করেন যে, প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক সেবাকাঠামো গঠনের মাধ্যমে গ্রাহক অভিজ্ঞতায় বড় ধরনের গতিশীল পরিবর্তন আনা সম্ভব। উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ চুক্তি দেশের করপোরেট স্বাস্থ্যসেবায় এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।









