জিলাইভ [ GLive ] | truth alone triumphs

সারা দেশে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও স্মরণ

২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও অমর একুশে উপলক্ষে সারাদেশে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। এই দিনটিকে স্মরণ করে জেলা প্রশাসন, সংসদ সদস্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা, এবং স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো একত্রিত হয়ে ফুলের শ্রদ্ধা, প্রার্থনা, এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের স্মৃতিকে জীবন্ত রেখেছে। নিম্নে কিছু জেলার অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হলো।

জেলা ভিত্তিক শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান

জেলাপ্রধান অতিথি / উপস্থিতিসময় ও স্থানমূল কার্যক্রমঅন্যান্য অংশগ্রহণকারী
টাঙ্গাইলরাষ্ট্র মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু১২:০১ পূর্বাহ্ণ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারফুলের শ্রদ্ধা, স্মরণসঙ্গীতজেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা, প্রেস ক্লাব, পৌর ও উপজেলা কর্মকর্তা
সিরাজগঞ্জবিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ১২:০১ পূর্বাহ্ণ, শহীদ বেদীফুলের শ্রদ্ধা, শ্রদ্ধাভাষণজেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
নাঙ্গলকোটউপজেলা ও পৌর প্রশাসনশহীদ মিনারফুলের শ্রদ্ধাসামাজিক, রাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন
মাগুরাসংসদ সদস্য মোঃ মনোয়ার হোসেন খান১২:০১ পূর্বাহ্ণ, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাসফুলের শ্রদ্ধা, স্মরণ অনুষ্ঠানজেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, সাধারণ জনতা
জয়পুরহাটরাষ্ট্র মন্ত্রী আব্দুল বারী১২:০১ পূর্বাহ্ণ, শহীদ মিনারফুলের শ্রদ্ধাসংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, দলীয় নেতৃবৃন্দ
ময়মনসিংহ (ফুলপুর)সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ১২:০১ পূর্বাহ্ণ, উপজেলা পরিষদ চত্বরফুলের শ্রদ্ধা, প্রার্থনাউপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন

টাঙ্গাইলে রাষ্ট্র মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জেলা প্রশাসক শরীফা হক-এর তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুলের শ্রদ্ধা জানান। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকারও একটি শ্রদ্ধা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের অটুট সম্পর্কের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের জন্য এই ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।”

নাঙ্গলকোটে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। মাগুরা ও জয়পুরহাটে সাধারণ মানুষও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ফুল অর্পণ ও স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

ফুলপুর, ময়মনসিংহে উপজেলা প্রশাসন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে, যেখানে ফুলের শ্রদ্ধা ও দেশের শান্তি ও শহীদদের মাগফিরাত কামনা করে প্রার্থনা সেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনার তত্ত্বাবধান করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার পারিতোষ সূত্রধর।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের জন্য সচেষ্ট। দিনটি নতুন প্রজন্মকে ভাষা ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ স্মরণ করাতে সহায়ক, এবং শহীদদের ত্যাগ স্মরণীয় রেখে জাতীয় ঐতিহ্যকে অটুট রাখে। প্রতিটি জেলা নিজস্ব রীতি অনুসারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে, যা মাতৃভাষার জন্য আত্মত্যাগ করা শহীদদের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখে।

Tags :

Jim

Recent News