শীর্ষ বিনোদন কেন্দ্র হওয়ার পথে সৌদি আরব

শীর্ষ বিনোদন কেন্দ্র হওয়ার পথে সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে সৌদি আরব। ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে বাড়ছে দেশটির জনপ্রিয়তা। গত চার বছরে মোট ১২ কোটি মানুষ যোগ দিয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে। জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির (জিইএ) প্রধান তুর্কি আল শেখ সম্প্রতি এমনটাই জানান।

তুর্কি আল শেখের দাবি, বিনোদন খাতে সৌদি আরবের অগ্রগতির জন্য যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহম্মদ বিন সালমানের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। সম্প্রতি জিইএ তৈরি করে চলছে বিশ্ব রেকর্ড। বিনোদন খাতে বাড়ছে কর্মসংস্থান। ২০১৯ সালের আগস্টে নতুনভাবে লাইসেন্স পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়। তারপর থেকে ১১ হাজার ১৩৬টি লাইসেন্স অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ।

শীর্ষ বিনোদন কেন্দ্র হওয়ার পথে সৌদি আরব

শীর্ষ বিনোদন কেন্দ্র হওয়ার পথে সৌদি আরব

লাইসেন্সের প্রক্রিয়া সুবিধাজনক করার স্বার্থে প্রণয়ন হয়েছে নতুন অনলাইন পদ্ধতি। জিইএর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সুলতান আল ফকির বলেন, ‘‌এত বেশি লাইসেন্স দেয়ার কারণ মূলত বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা। যেন তারা বিনোদন খাতে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসেন।’

সৌদি আরব ২০৩০ সালের মধ্যে বড় ধরনের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে। বিনোদন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। আন্তর্জাতিক কোরআন ও আজান প্রতিযোগিতাকে একীভূত করা হয়েছে। যার ফল ছিল ইতিবাচক। আসরে ৫০ হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে ১৬৫টি দেশ থেকে। প্রতিযোগিতার জন্য ১ কোটি ২০ লাখ রিয়াল পুরস্কার ঘোষণা করেছে জিইএ। এমন প্রতিযোগিতার জন্য এটাই সবচেয়ে বড় অংকের পুরস্কার।

বিভিন্ন আসর, বিনোদন শো, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফেতে সরাসরি শো মিলিয়ে ২০১৯ সাল থেকে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক পর্যন্ত আসর ছিল ৮ হাজার ৭৩২টি ও কনসার্ট ছিল ১ হাজার ৩৮১টি। সৌদি আরবের ৪২টি শহরে ৪৭০টি বিনোদন গন্তব্য নজর কেড়েছে পুরো সময়। কেবল ১ হাজার ৪০২টি রেস্তোরাঁতেই অনুমোদন নেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৭২৮টি। বিপরীতে ৩ হাজার ৭৩৮টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বিনোদনের কাতারে।

 

শীর্ষ বিনোদন কেন্দ্র হওয়ার পথে সৌদি আরব

 

৮২টি খেলা ও ৩৫০টি নাট্য প্রদর্শনী ছিল। অন্তত ৬ হাজার ৬১০ জন পারফর্মার অংশগ্রহণ করেছে সেখানে। সার্বিকভাবে, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে বিনোদন। সময়ের ব্যবধানে এটি আরো মজবুত অবস্থানে দাঁড়াবে বলে মনে করেন  তুর্কি আল শেখ।

Leave a Comment