কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ‘কমিউনিটি এডুস্যুট ৩৬০’ নামে একটি সমন্বিত স্কুল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে। এই সেবাটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক, প্রশাসনিক এবং শিক্ষার্থীসংক্রান্ত প্রয়োজন পূরণের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান হিসেবে পরিকল্পিত।
পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেবাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ফকির। তাঁর মাধ্যমেই এ সেবার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
কমিউনিটি ব্যাংক শিক্ষা খাতে উদ্ভাবনী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই প্ল্যাটফর্মটি উন্নয়ন করেছে। ‘কমিউনিটি এডুস্যুট ৩৬০’ একটি সমন্বিত ব্যাংকিং ও সেবা ব্যবস্থা, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণ সংশ্লিষ্ট কার্যাবলিকে একত্রিত করে। এর মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এই সেবায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের জন্য আর্থিক লেনদেন সহজতর করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রমে ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা প্রদানের ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অর্থ) মো. আক্রম হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. সিবগত উল্লাহ, বিশেষ শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক সরদার নুরুল আমিন, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কাজী মো. ফজলুল করিম, উপমহাপরিদর্শক (গোপনীয়) মো. কামরুল আহসান, অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (হাইওয়ে পুলিশ) মুনতাশিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক আহমদ মুয়ীদ এবং পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র পরিচালক ড. মো. মোরশেদ হাসান খান, সৈয়দ রফিকুল হক এবং মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কিমিওয়া সাদ্দাত এবং কোম্পানি সচিব সাইফুল আলমসহ ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক সেবার বিস্তারে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
