ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার প্যারিসে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। রাশিয়ার সাড়ে তিন বছরের আগ্রাসনের অবসান ঘটাতে আন্তর্জাতিক চাপের প্রেক্ষাপটে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এএফপিকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, “আমরা এমন একটি বৈঠকের পরিকল্পনা করছি, যেখানে জেলেনস্কি ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।”
সূত্রটি আরও নিশ্চিত করেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বৈঠকে যোগ দেবেন না।
প্যারিস বৈঠকের কেন্দ্রীয় বিষয় হবে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ করার উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে।
নিরাপত্তা গ্যারান্টি ও কূটনৈতিক উত্তেজনা
- সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনকে ঘিরে কূটনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে।
- পশ্চিমা-সমর্থিত নিরাপত্তা গ্যারান্টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
- কিয়েভ ভবিষ্যতে রাশিয়ার যেকোনো নতুন আক্রমণ ঠেকাতে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি দাবি করছে।
সংঘাত শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে একটি ইউরোপীয় শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠনের প্রস্তাব সামনে এসেছে। এ বিষয়ে নেতাদের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা হচ্ছে।
| বিষয় | অবস্থান |
| ইউক্রেন | ভবিষ্যৎ আক্রমণ রোধে নিরাপত্তা গ্যারান্টি দাবি করছে |
| ইউরোপীয় নেতারা | শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠনের বিষয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করছেন |
| যুক্তরাষ্ট্র | শান্তিরক্ষা পরিকল্পনায় সমর্থন ইঙ্গিত দিয়েছে, তবে সৈন্য পাঠাবে না |
| রাশিয়া | পশ্চিমা শান্তিরক্ষী বাহিনীর তীব্র বিরোধিতা করছে |
ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় শান্তিরক্ষা পরিকল্পনায় সমর্থন দিতে পারে। তবে ওয়াশিংটন স্পষ্ট করেছে যে, ইউক্রেনে মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের কোনও পরিকল্পনা নেই।
রাশিয়া পশ্চিমা শান্তিরক্ষী সৈন্যের সম্ভাব্য মোতায়েনের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। গত সপ্তাহে ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা এই ধরনের আলোচনাকে “নেতিবাচকভাবে” দেখছে।
