বাপ্পা-রুনার দ্বৈত কণ্ঠে আসছে বাংলা গজল

দেশের সংগীতাঙ্গনের দুই প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় শিল্পী রুনা লায়লা ও বাপ্পা মজুমদার প্রথমবারের মতো একসঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন একটি নতুন ধাঁচের গানে, যা বাংলা গজল আঙ্গিকে নির্মিত। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার সঙ্গে আধুনিক বাংলা গানের জনপ্রিয় সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদারের এই সহযোগিতা ইতোমধ্যেই সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।

গানটির কথা লিখেছেন সৈয়দ গালিব হাসান। শুরুতে এটি একক কণ্ঠে রুনা লায়লার গাওয়ার জন্য পরিকল্পিত ছিল। তবে বাপ্পা মজুমদারের সুর-সংযোজন ও সংগীতায়োজন শোনার পর রুনা লায়লা নিজেই এটিকে দ্বৈত কণ্ঠে উপস্থাপনের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে দুই শিল্পী একসঙ্গে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন করেন।

রুনা লায়লা তার নিজস্ব ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জানান, বাপ্পা মজুমদার অত্যন্ত মেধাবী একজন সুরকার ও সংগীত পরিচালক। তাঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ভালো হয়েছে এবং গানের মান আরও সমৃদ্ধ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে রাজধানীর বনানীতে বাপ্পা মজুমদারের সংগীত স্টুডিওতে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতির পর গানটি এখন আনুষ্ঠানিক প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

বাপ্পা মজুমদার এই সহযোগিতাকে নিজের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষায়, রুনা লায়লার সঙ্গে একই গানে কণ্ঠ দেওয়া তাঁর জন্য একটি স্বপ্নপূরণের মতো ঘটনা।

গানটির মূল তথ্যগুলো নিচে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো—

বিষয়তথ্য
গানের শিরোনামঅনায়াসে
ধরণবাংলা গজল
শিল্পীরুনা লায়লা ও বাপ্পা মজুমদার
গীতিকারসৈয়দ গালিব হাসান
প্রথম পরিকল্পনাএকক কণ্ঠে রুনা লায়লা
পরিবর্তিত পরিকল্পনাদ্বৈত কণ্ঠ
রেকর্ডিং স্থানবাপ্পা মজুমদারের সংগীত স্টুডিও, বনানী
রেকর্ডিং সময়প্রায় এক বছর আগে
প্রকাশের তারিখ১৬ মে

প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বাংলা ভাষায় গজল ঘরানায় এটি একটি ব্যতিক্রমী প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে দুই ভিন্ন প্রজন্মের শিল্পী একই গানে অংশ নিয়েছেন। গানের আনুষ্ঠানিক প্রকাশের পর এটি শ্রোতাদের কেমন সাড়া পায়, তা এখন সংগীতাঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।